প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফরের পর তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কি না, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৈরি হওয়া প্রশ্নের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, তারেক রহমান ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, তারেক রহমান ভর্তি হওয়ার পর প্রায় দুই মাস নিয়মিত ক্লাসও করেছেন। আইন বিভাগের তৎকালীন সিনিয়র ছাত্র হিসেবে বিষয়টি তিনি নিজে জানতেন বলে উল্লেখ করেন। তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এবং আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নামও উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক রহমানের পড়াশোনা অসম্পন্ন থাকার কারণ হিসেবে তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে দায়ী করেছেন আসিফ নজরুল। তিনি জানান, সেই সময় জেনারেল এরশাদের শাসনকাল চলছিল এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে এরশাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ছিল। মূলত নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণেই তারেক রহমানের বিশ্ববিদ্যালয়-জীবন সংক্ষিপ্ত হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফরের পর তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কি না, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৈরি হওয়া প্রশ্নের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, তারেক রহমান ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, তারেক রহমান ভর্তি হওয়ার পর প্রায় দুই মাস নিয়মিত ক্লাসও করেছেন। আইন বিভাগের তৎকালীন সিনিয়র ছাত্র হিসেবে বিষয়টি তিনি নিজে জানতেন বলে উল্লেখ করেন। তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এবং আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নামও উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক রহমানের পড়াশোনা অসম্পন্ন থাকার কারণ হিসেবে তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে দায়ী করেছেন আসিফ নজরুল। তিনি জানান, সেই সময় জেনারেল এরশাদের শাসনকাল চলছিল এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে এরশাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ছিল। মূলত নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণেই তারেক রহমানের বিশ্ববিদ্যালয়-জীবন সংক্ষিপ্ত হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

আপনার মতামত লিখুন