রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) রাতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আনম তানভীর চৌধুরী নোমান। এ নিয়ে রংপুর বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে।
মৃত শিশুর নাম মনি আক্তার (৯ মাস)। সে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বাসিন্দা মাহাবুব আলমের মেয়ে।
এদিকে রংপুর বিভাগজুড়ে হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ৫ জন, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ জন এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ জন ভর্তি রয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার পর্যন্ত ৪৬ জন হামে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন।
সহকারী অধ্যাপক ডা. আনম তানভীর চৌধুরী নোমান জানান, শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি ও শ্বাসকষ্টসহ হামের বিভিন্ন উপসর্গে ভুগছিল। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) রাতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আনম তানভীর চৌধুরী নোমান। এ নিয়ে রংপুর বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে।
মৃত শিশুর নাম মনি আক্তার (৯ মাস)। সে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বাসিন্দা মাহাবুব আলমের মেয়ে।
এদিকে রংপুর বিভাগজুড়ে হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ৫ জন, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ জন এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ জন ভর্তি রয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার পর্যন্ত ৪৬ জন হামে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন।
সহকারী অধ্যাপক ডা. আনম তানভীর চৌধুরী নোমান জানান, শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি ও শ্বাসকষ্টসহ হামের বিভিন্ন উপসর্গে ভুগছিল। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন