দেশজুড়ে ফের ভয়াবহ থাবা বসিয়েছে মারণ রোগ হাম, যেখানে প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হচ্ছে হাজারও শিশু এবং দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। তবে বর্তমান এই শোচনীয় পরিস্থিতির পেছনে কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতাই নয়, বরং এক গভীর ‘অ্যান্টি-ভ্যাক্সার’ বা টিকাবিরোধী সুপরিকল্পিত অপপ্রচার ও সামাজিক কুসংস্কারকে দায়ী করছেন দেশের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এই সংকটের মধ্যেই বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কন্যা ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ডক্টর সামারুহ মির্জার একটি ফেসবুক পোস্ট দেশের জনস্বাস্থ্য মহলে তুমুল শোরগোল ও তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।
শুক্রবার (১৫ মে) দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে ডক্টর সামারুহ মির্জা দেশের টিকাকরণ ব্যবস্থার বর্তমান নাজুক পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা ও ব্যবচ্ছেদ করেছেন। তিনি ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে সরাসরি জানান, "দেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের চরম প্রশাসনিক গাফিলতি ও ডামাডোল তো আছেই, তবে বিষবৃক্ষের আসল শিকড় লুকিয়ে আছে আরও গভীরে। সুপরিকল্পিতভাবে ইসলামের দোহাই দিয়ে টিকার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের মনে ভয়, ভীতি ও তীব্র অনাস্থা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।"
বিজ্ঞানী সামারুহ মির্জা তাঁর পোস্টে অভিযোগ করেন যে, ধর্মের নামে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করে সাধারণ মানুষকে বিজ্ঞানসম্মত জীবনধারা এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যার চরম খেসারত দিতে হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের। তিনি স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, "বিজ্ঞানের অগ্রগতিকে অস্বীকার করে ধর্মের নামে কুসংস্কার ছড়ানো হচ্ছে। ফলাফল এখন চোখের সামনে।"
একই সাথে এই বিজ্ঞানী সমাজজুড়ে ছড়িয়ে পড়া আরও একটি ভয়ংকর ও বিকৃত প্রবণতার দিকে আঙুল তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, একটি নির্দিষ্ট স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী নারীদের ফিটনেস ও স্তন্যপান করানোর মতো অত্যন্ত স্বাভাবিক ও সংবেদনশীল বিষয়গুলোকে হামে শিশুমৃত্যুর সঙ্গে একই সারিতে নিয়ে এসে গুলিয়ে ফেলছে। সমাজজুড়ে বিজ্ঞানমনস্কতার পরিবর্তে চরম কুসংস্কারকে প্রশ্রয় দিয়ে এক ধরনের বিকৃত বা ‘পারভার্ট’ মানসিকতা সুকৌশলে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, এক সময় টিকাদানের সফলতায় বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে পরিচিত ছিল এবং হামের প্রকোপ ছিল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক ডামাডোলে জাতীয় টিকাকরণ কর্মসূচিতে মারাত্মক ভাটা পড়ায় দেশের হাজার হাজার শিশুর ভবিষ্যৎ ফের এক অনিশ্চিত অন্ধকারের মুখে দাঁড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
দেশজুড়ে ফের ভয়াবহ থাবা বসিয়েছে মারণ রোগ হাম, যেখানে প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হচ্ছে হাজারও শিশু এবং দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। তবে বর্তমান এই শোচনীয় পরিস্থিতির পেছনে কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতাই নয়, বরং এক গভীর ‘অ্যান্টি-ভ্যাক্সার’ বা টিকাবিরোধী সুপরিকল্পিত অপপ্রচার ও সামাজিক কুসংস্কারকে দায়ী করছেন দেশের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এই সংকটের মধ্যেই বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কন্যা ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ডক্টর সামারুহ মির্জার একটি ফেসবুক পোস্ট দেশের জনস্বাস্থ্য মহলে তুমুল শোরগোল ও তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।
শুক্রবার (১৫ মে) দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে ডক্টর সামারুহ মির্জা দেশের টিকাকরণ ব্যবস্থার বর্তমান নাজুক পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা ও ব্যবচ্ছেদ করেছেন। তিনি ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে সরাসরি জানান, "দেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের চরম প্রশাসনিক গাফিলতি ও ডামাডোল তো আছেই, তবে বিষবৃক্ষের আসল শিকড় লুকিয়ে আছে আরও গভীরে। সুপরিকল্পিতভাবে ইসলামের দোহাই দিয়ে টিকার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের মনে ভয়, ভীতি ও তীব্র অনাস্থা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।"
বিজ্ঞানী সামারুহ মির্জা তাঁর পোস্টে অভিযোগ করেন যে, ধর্মের নামে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করে সাধারণ মানুষকে বিজ্ঞানসম্মত জীবনধারা এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যার চরম খেসারত দিতে হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের। তিনি স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, "বিজ্ঞানের অগ্রগতিকে অস্বীকার করে ধর্মের নামে কুসংস্কার ছড়ানো হচ্ছে। ফলাফল এখন চোখের সামনে।"
একই সাথে এই বিজ্ঞানী সমাজজুড়ে ছড়িয়ে পড়া আরও একটি ভয়ংকর ও বিকৃত প্রবণতার দিকে আঙুল তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, একটি নির্দিষ্ট স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী নারীদের ফিটনেস ও স্তন্যপান করানোর মতো অত্যন্ত স্বাভাবিক ও সংবেদনশীল বিষয়গুলোকে হামে শিশুমৃত্যুর সঙ্গে একই সারিতে নিয়ে এসে গুলিয়ে ফেলছে। সমাজজুড়ে বিজ্ঞানমনস্কতার পরিবর্তে চরম কুসংস্কারকে প্রশ্রয় দিয়ে এক ধরনের বিকৃত বা ‘পারভার্ট’ মানসিকতা সুকৌশলে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, এক সময় টিকাদানের সফলতায় বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে পরিচিত ছিল এবং হামের প্রকোপ ছিল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক ডামাডোলে জাতীয় টিকাকরণ কর্মসূচিতে মারাত্মক ভাটা পড়ায় দেশের হাজার হাজার শিশুর ভবিষ্যৎ ফের এক অনিশ্চিত অন্ধকারের মুখে দাঁড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন