ঢাকা নিউজ

দৌলতদিয়া পল্লীতে নারীর রহস্যজনক মৃত্যু



দৌলতদিয়া পল্লীতে নারীর রহস্যজনক মৃত্যু
ছবি : সংগৃহীত

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া পল্লীতে নিজ কক্ষে পানিভর্তি একটি বালতিতে মুখ ডুবানো অবস্থায় মুন্নি বেগম (৩৮) নামের এক নারীর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সকালে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মুন্নি বেগম মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার সায়েস্তা পূর্ব বান্দাইল গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিন ও লালজানের মেয়ে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দৌলতদিয়া যৌন পল্লীর ভাড়াটিয়া মঞ্জুর বাড়িতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন।

পল্লীর বাসিন্দারা জানান, মুন্নি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং কিছুদিন আগেও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। পল্লীর বর্তমান পরিস্থিতি খারাপ থাকায় অন্যদের মতো তারও আয়-রোজগার তেমন ছিল না, এমনকি নিয়মিত ওষুধ কেনার মতো আর্থিক অবস্থাও ছিল না। সোমবার সকালে নিজ কক্ষে পানিভর্তি একটি বালতিতে মুখ ডুবানো অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পাওয়ায় ঘটনাটি স্বাভাবিক নয় বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

বাড়িওয়ালা মঞ্জু জানান, রোববার রাত ১০টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে চলে যান এবং সোমবার সকালে ফিরে অন্য ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে জানতে পারেন মুন্নি ঘরের দরজা খুলছেন না। পরে সবাই মিলে অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে গেটে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের খবর দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় মুন্নিকে ঘরের ভেতরে পানিভর্তি একটি বালতির মধ্যে মুখ নিচের দিকে দিয়ে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্ট্রোকজনিত কারণে মুন্নির মৃত্যু হতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


দৌলতদিয়া পল্লীতে নারীর রহস্যজনক মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া পল্লীতে নিজ কক্ষে পানিভর্তি একটি বালতিতে মুখ ডুবানো অবস্থায় মুন্নি বেগম (৩৮) নামের এক নারীর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সকালে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মুন্নি বেগম মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার সায়েস্তা পূর্ব বান্দাইল গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিন ও লালজানের মেয়ে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দৌলতদিয়া যৌন পল্লীর ভাড়াটিয়া মঞ্জুর বাড়িতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন।

পল্লীর বাসিন্দারা জানান, মুন্নি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং কিছুদিন আগেও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। পল্লীর বর্তমান পরিস্থিতি খারাপ থাকায় অন্যদের মতো তারও আয়-রোজগার তেমন ছিল না, এমনকি নিয়মিত ওষুধ কেনার মতো আর্থিক অবস্থাও ছিল না। সোমবার সকালে নিজ কক্ষে পানিভর্তি একটি বালতিতে মুখ ডুবানো অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পাওয়ায় ঘটনাটি স্বাভাবিক নয় বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

বাড়িওয়ালা মঞ্জু জানান, রোববার রাত ১০টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে চলে যান এবং সোমবার সকালে ফিরে অন্য ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে জানতে পারেন মুন্নি ঘরের দরজা খুলছেন না। পরে সবাই মিলে অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে গেটে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের খবর দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় মুন্নিকে ঘরের ভেতরে পানিভর্তি একটি বালতির মধ্যে মুখ নিচের দিকে দিয়ে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্ট্রোকজনিত কারণে মুন্নির মৃত্যু হতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ