ঢাকা নিউজ

কুরবানির জন্য প্রস্তুত চরফ্যাশনের ২৫ হাজার পশু



কুরবানির জন্য প্রস্তুত চরফ্যাশনের ২৫ হাজার পশু
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় কুরবানির পশু প্রস্তুতকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও গৃহস্থরা। উপজেলার খামারগুলোতে এবার চাহিদার তুলনায় বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চরফ্যাশনে ১৮৬টি গরুর খামার, ৮২টি মহিষের খামার ও ২৪টি ছাগলের খামার রয়েছে। এসব খামার থেকে এবার ২৫ হাজার ৯১টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে, যা উপজেলার ২২ হাজার ৪৬৬টি পশুর চাহিদার চেয়ে প্রায় দুই হাজার ৬০০ বেশি।

ইতোমধ্যেই চরফ্যাশন সদর পশুর হাট, চেয়ারম্যান বাজার ও দুলারহাট পশুর হাটে খামারি ও ব্যাপারীরা গরু, মহিষ ও ছাগল কেনাবেচায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। হাটে আসা ক্রেতারা জানিয়েছেন, গতবারের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা কম রয়েছে এবং ঈদের সময় যত ঘনিয়ে আসবে ও অন্যান্য জেলা থেকে পশু আসবে, দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে খামারিরা জানিয়েছেন, কুরবানির জন্য তারা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের গরু প্রস্তুত করেছেন এবং এগুলো স্থানীয় বাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে খাদ্য খৈল, কুঁড়া, ভুসি ও খড়সহ অন্যান্য পশুখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় পশু পালনে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। খামারিরা আশা করছেন, বাজারে আশানুরূপ দাম পেলে তারা লাভবান হতে পারবেন।

খামারের গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি বিভাগের সাতটি ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম কাজ করছে। এই টিমগুলো প্রতিদিন গ্রামে গিয়ে গৃহস্থ ও খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রাজন আলী জানিয়েছেন, এ উপজেলায় দেশি জাতের গবাদিপশুর পরিমাণ চাহিদার তুলনায় বেশি রয়েছে। ফলে স্থানীয় কোরবানি সম্পন্ন করে অতিরিক্ত পশু অন্য জেলাতেও সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বুধবার, ২০ মে ২০২৬


কুরবানির জন্য প্রস্তুত চরফ্যাশনের ২৫ হাজার পশু

প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬

featured Image

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় কুরবানির পশু প্রস্তুতকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও গৃহস্থরা। উপজেলার খামারগুলোতে এবার চাহিদার তুলনায় বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চরফ্যাশনে ১৮৬টি গরুর খামার, ৮২টি মহিষের খামার ও ২৪টি ছাগলের খামার রয়েছে। এসব খামার থেকে এবার ২৫ হাজার ৯১টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে, যা উপজেলার ২২ হাজার ৪৬৬টি পশুর চাহিদার চেয়ে প্রায় দুই হাজার ৬০০ বেশি।

ইতোমধ্যেই চরফ্যাশন সদর পশুর হাট, চেয়ারম্যান বাজার ও দুলারহাট পশুর হাটে খামারি ও ব্যাপারীরা গরু, মহিষ ও ছাগল কেনাবেচায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। হাটে আসা ক্রেতারা জানিয়েছেন, গতবারের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা কম রয়েছে এবং ঈদের সময় যত ঘনিয়ে আসবে ও অন্যান্য জেলা থেকে পশু আসবে, দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে খামারিরা জানিয়েছেন, কুরবানির জন্য তারা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের গরু প্রস্তুত করেছেন এবং এগুলো স্থানীয় বাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে খাদ্য খৈল, কুঁড়া, ভুসি ও খড়সহ অন্যান্য পশুখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় পশু পালনে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। খামারিরা আশা করছেন, বাজারে আশানুরূপ দাম পেলে তারা লাভবান হতে পারবেন।

খামারের গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি বিভাগের সাতটি ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম কাজ করছে। এই টিমগুলো প্রতিদিন গ্রামে গিয়ে গৃহস্থ ও খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রাজন আলী জানিয়েছেন, এ উপজেলায় দেশি জাতের গবাদিপশুর পরিমাণ চাহিদার তুলনায় বেশি রয়েছে। ফলে স্থানীয় কোরবানি সম্পন্ন করে অতিরিক্ত পশু অন্য জেলাতেও সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ