ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ (G7) সম্মেলন শেষে এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জব্দ থাকা ইরানের বিপুল পরিমাণ অর্থ শেষ পর্যন্ত তেহরানকে ফেরত দিতে হবে। ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের নয়, বরং সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিজস্ব সম্পদ।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের দেওয়া প্রধান বক্তব্য ও চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
ডলারের মর্যাদা রক্ষা: ট্রাম্পের মতে, ইরানকে তাদের অর্থ ফেরত না দিলে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের ওপর থেকে বিনিয়োগকারীদের আস্থা উঠে যাবে। তিনি বলেন, "যদি আমরা তা ফেরত না দিই, তাহলে কেউ আর কখনোই ডলারে বিনিয়োগ করবে না।"
৩০০ বিলিয়ন ডলারের শর্তাধীন তহবিল: ঐতিহাসিক এই সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ইরানের পুনর্গঠনে যে ৩০০ বিলিয়ন (৩০ হাজার কোটি) ডলারের তহবিলের কথা বলা হয়েছে, তা সরাসরি মার্কিন সরকার দেবে না। ট্রাম্প পরিষ্কার করে বলেন, "আমরা কোনো অর্থ দিচ্ছি না।" ইরান যদি তাদের 'সঠিক আচরণ' বজায় রাখে, তবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পক্ষ বা অংশীদাররা সেখানে এই বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করার সুযোগ পাবে।
ইরানের বিশাল ক্ষতি: নিষেধাজ্ঞা ও উত্তেজনার কারণে ইরানের ১ ট্রিলিয়ন (১ লাখ কোটি) ডলারেরও বেশি অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে বলে ট্রাম্প উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ইরান যদি চুক্তির শর্ত মেনে চলে, তবেই কেবল ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়টি কার্যকর হবে।
সম্প্রতি ইলেকট্রনিক উপায়ে দুই দেশের মধ্যে এই ১৪ দফার ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারকটি সই হয়েছে। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে এই চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপনের জন্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
চুক্তির মূল উদ্দেশ্যসমূহ:
১. সামরিক অভিযান বন্ধ: লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে সব ধরনের সামরিক তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করা।
২. হরমুজ প্রণালি উন্মুক্তকরণ: বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া।
৩. পারমাণবিক ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ন্ত্রণ: ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বিনিময়ে ধাপে ধাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা ও আন্তর্জাতিক সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ (G7) সম্মেলন শেষে এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জব্দ থাকা ইরানের বিপুল পরিমাণ অর্থ শেষ পর্যন্ত তেহরানকে ফেরত দিতে হবে। ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের নয়, বরং সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিজস্ব সম্পদ।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের দেওয়া প্রধান বক্তব্য ও চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
ডলারের মর্যাদা রক্ষা: ট্রাম্পের মতে, ইরানকে তাদের অর্থ ফেরত না দিলে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের ওপর থেকে বিনিয়োগকারীদের আস্থা উঠে যাবে। তিনি বলেন, "যদি আমরা তা ফেরত না দিই, তাহলে কেউ আর কখনোই ডলারে বিনিয়োগ করবে না।"
৩০০ বিলিয়ন ডলারের শর্তাধীন তহবিল: ঐতিহাসিক এই সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ইরানের পুনর্গঠনে যে ৩০০ বিলিয়ন (৩০ হাজার কোটি) ডলারের তহবিলের কথা বলা হয়েছে, তা সরাসরি মার্কিন সরকার দেবে না। ট্রাম্প পরিষ্কার করে বলেন, "আমরা কোনো অর্থ দিচ্ছি না।" ইরান যদি তাদের 'সঠিক আচরণ' বজায় রাখে, তবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পক্ষ বা অংশীদাররা সেখানে এই বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করার সুযোগ পাবে।
ইরানের বিশাল ক্ষতি: নিষেধাজ্ঞা ও উত্তেজনার কারণে ইরানের ১ ট্রিলিয়ন (১ লাখ কোটি) ডলারেরও বেশি অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে বলে ট্রাম্প উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ইরান যদি চুক্তির শর্ত মেনে চলে, তবেই কেবল ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়টি কার্যকর হবে।
সম্প্রতি ইলেকট্রনিক উপায়ে দুই দেশের মধ্যে এই ১৪ দফার ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারকটি সই হয়েছে। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে এই চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপনের জন্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
চুক্তির মূল উদ্দেশ্যসমূহ:
১. সামরিক অভিযান বন্ধ: লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে সব ধরনের সামরিক তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ করা।
২. হরমুজ প্রণালি উন্মুক্তকরণ: বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া।
৩. পারমাণবিক ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ন্ত্রণ: ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বিনিময়ে ধাপে ধাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা ও আন্তর্জাতিক সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা।

আপনার মতামত লিখুন