দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি দীর্ঘ ২৯ দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। ২০১৭ সালে স্থাপন করা এই ইউনিটটি প্রায় ৮ বছর সচল থাকার পর ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর প্রথম বন্ধ হয়েছিল। বর্তমানে এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াটের ১ নম্বর ইউনিট এবং ২৭৫ মেগাওয়াটের ৩ নম্বর ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের আশা, বর্তমানে সচল থাকা ১ নম্বর ইউনিট থেকে ৬৫ মেগাওয়াট এবং নতুন করে চালু হওয়া ৩ নম্বর ইউনিট থেকে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলবে, যা পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে ২০০ মেগাওয়াট অতিক্রম করবে। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, একটি ইউনিট মাঝে মাঝে চালু ও বন্ধ হওয়ার মাধ্যমে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। এখন তৃতীয় ইউনিটটি সফলভাবে সচল করা সম্ভব হওয়ায় আরও বেশি পরিমাণে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম জানান, কোল ইয়ার্ড সংক্রান্ত বিদ্যমান সমস্যাগুলো খুব দ্রুতই সমাধান করা হবে। উৎপাদিত কয়লা অন্য কোনো স্থানে সংরক্ষণ করার চিন্তাভাবনার পাশাপাশি খোলা বাজারে কিছু কয়লা বিক্রি করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। এছাড়া নিকটস্থ প্ল্যান্টে আরেকটি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করায় এখন থেকে কয়লার ব্যবহার আরও বাড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি দীর্ঘ ২৯ দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। ২০১৭ সালে স্থাপন করা এই ইউনিটটি প্রায় ৮ বছর সচল থাকার পর ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর প্রথম বন্ধ হয়েছিল। বর্তমানে এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াটের ১ নম্বর ইউনিট এবং ২৭৫ মেগাওয়াটের ৩ নম্বর ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের আশা, বর্তমানে সচল থাকা ১ নম্বর ইউনিট থেকে ৬৫ মেগাওয়াট এবং নতুন করে চালু হওয়া ৩ নম্বর ইউনিট থেকে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলবে, যা পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে ২০০ মেগাওয়াট অতিক্রম করবে। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, একটি ইউনিট মাঝে মাঝে চালু ও বন্ধ হওয়ার মাধ্যমে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। এখন তৃতীয় ইউনিটটি সফলভাবে সচল করা সম্ভব হওয়ায় আরও বেশি পরিমাণে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম জানান, কোল ইয়ার্ড সংক্রান্ত বিদ্যমান সমস্যাগুলো খুব দ্রুতই সমাধান করা হবে। উৎপাদিত কয়লা অন্য কোনো স্থানে সংরক্ষণ করার চিন্তাভাবনার পাশাপাশি খোলা বাজারে কিছু কয়লা বিক্রি করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। এছাড়া নিকটস্থ প্ল্যান্টে আরেকটি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করায় এখন থেকে কয়লার ব্যবহার আরও বাড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন