ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মাদককারবারি সন্দেহে মামুন মোল্লা নামে ৪১ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের মালিখালী বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় মামুনের ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার ভাঙচুর করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আহত মামুন মোল্লা উপজেলার পরমেশ্বর্দী গ্রামের মানিক মোল্লার ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মামুন মোল্লা একটি প্রাইভেটকার নিয়ে ওই এলাকায় এলে কয়েকজন তাকে মাদককারবারি বলে চিহ্নিত করে এবং একপর্যায়ে সেখানে লোকজন জড়ো হয়ে তাকে মারধর শুরু করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মামুন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে মামুনের পরিবারের দাবি, পূর্বশত্রুতার জের ধরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত মামুনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মামুনের বাবা মানিক মোল্লা জানান, তাঁর ছেলে ফরিদপুর আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিয়ে বাড়িতে এসেছিল এবং দুপুরের খাবার খেয়ে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে এক আত্মীয়ের প্রাইভেটকার নিয়ে বের হলে এই হামলার শিকার হয়। তাঁর দাবি, ছেলের কাছে কোনো মাদক ছিল না এবং কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। বোয়ালমারী থানার ওসি মুস্তাফিজুর রহমান জানান, মামুনের বিরুদ্ধে পূর্বে মাদক সংক্রান্ত মামলা থাকলেও এই ঘটনার সময় তাঁর কাছ থেকে কোনো মাদক উদ্ধার হয়নি। আটক মামুনকে মঙ্গলবার সকালে ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং গাড়ি ভাঙচুর ও আগুনের ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মাদককারবারি সন্দেহে মামুন মোল্লা নামে ৪১ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের মালিখালী বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় মামুনের ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার ভাঙচুর করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আহত মামুন মোল্লা উপজেলার পরমেশ্বর্দী গ্রামের মানিক মোল্লার ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মামুন মোল্লা একটি প্রাইভেটকার নিয়ে ওই এলাকায় এলে কয়েকজন তাকে মাদককারবারি বলে চিহ্নিত করে এবং একপর্যায়ে সেখানে লোকজন জড়ো হয়ে তাকে মারধর শুরু করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মামুন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে মামুনের পরিবারের দাবি, পূর্বশত্রুতার জের ধরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত মামুনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মামুনের বাবা মানিক মোল্লা জানান, তাঁর ছেলে ফরিদপুর আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিয়ে বাড়িতে এসেছিল এবং দুপুরের খাবার খেয়ে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে এক আত্মীয়ের প্রাইভেটকার নিয়ে বের হলে এই হামলার শিকার হয়। তাঁর দাবি, ছেলের কাছে কোনো মাদক ছিল না এবং কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। বোয়ালমারী থানার ওসি মুস্তাফিজুর রহমান জানান, মামুনের বিরুদ্ধে পূর্বে মাদক সংক্রান্ত মামলা থাকলেও এই ঘটনার সময় তাঁর কাছ থেকে কোনো মাদক উদ্ধার হয়নি। আটক মামুনকে মঙ্গলবার সকালে ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং গাড়ি ভাঙচুর ও আগুনের ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন