গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় বাড়িতে মজুত করে রাখা ড্রামের ডিজেলে ডুবে আরাফ প্রামাণিক নামে তিন বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। নিহত আরাফ উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের পালানপাড়া গ্রামের ট্রাক মালিক আশিকুর রহমান বাবু প্রামাণিকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রাক মালিক আশিকুর রহমান তার যানবাহনের ব্যবহারের জন্য বাড়ির বারান্দায় একটি অর্ধকাটা প্লাস্টিকের ড্রামে ৫০ লিটার ডিজেল মজুত করে রেখেছিলেন। গত মঙ্গলবার বিকেলে শিশু আরাফ বাড়ির বারান্দায় খেলার সময় অসাবধানতাবশত ওই ড্রামের ভেতর পড়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালে দীর্ঘ সময় লড়াই করার পর বুধবার ভোরে শিশুটির মৃত্যু হয়। সকালে আরাফের মরদেহ গ্রামে পৌঁছালে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে ওই এলাকার বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।
ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মেহেদী হাসান একরামুল এবং ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ স্বপন কুমার সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ কর্মকর্তা স্বপন কুমার সরকার এই ঘটনাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেন। মূলত অসতর্কভাবে দাহ্য পদার্থ বা জ্বালানি তেল বাড়িতে খোলা অবস্থায় রাখার কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় বাড়িতে মজুত করে রাখা ড্রামের ডিজেলে ডুবে আরাফ প্রামাণিক নামে তিন বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। নিহত আরাফ উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের পালানপাড়া গ্রামের ট্রাক মালিক আশিকুর রহমান বাবু প্রামাণিকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রাক মালিক আশিকুর রহমান তার যানবাহনের ব্যবহারের জন্য বাড়ির বারান্দায় একটি অর্ধকাটা প্লাস্টিকের ড্রামে ৫০ লিটার ডিজেল মজুত করে রেখেছিলেন। গত মঙ্গলবার বিকেলে শিশু আরাফ বাড়ির বারান্দায় খেলার সময় অসাবধানতাবশত ওই ড্রামের ভেতর পড়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালে দীর্ঘ সময় লড়াই করার পর বুধবার ভোরে শিশুটির মৃত্যু হয়। সকালে আরাফের মরদেহ গ্রামে পৌঁছালে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে ওই এলাকার বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।
ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মেহেদী হাসান একরামুল এবং ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ স্বপন কুমার সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ কর্মকর্তা স্বপন কুমার সরকার এই ঘটনাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেন। মূলত অসতর্কভাবে দাহ্য পদার্থ বা জ্বালানি তেল বাড়িতে খোলা অবস্থায় রাখার কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন