দেশের সাড়ে ১৮ কোটি মোবাইল গ্রাহকের অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক ভোগান্তি কমাতে ‘ই-জিএসএম’ ব্যান্ডের তরঙ্গ বরাদ্দের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)। বিশেষ করে অফিস বা বাসাবাড়ির ভেতরে কথা বলা বা ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া ও ধীরগতির সমস্যা দূর করতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে শহরের তুলনায় প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রাহকরা নেটওয়ার্ক নিয়ে যে জটিলতায় ভুগছেন, নতুন এই তরঙ্গ বরাদ্দের ফলে তার কার্যকর সমাধান মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিটিআরসির কাছে বর্তমানে ৮.৪ মেগাহার্টজ ‘ই-জিএসএম’ তরঙ্গ অবরাদ্দকৃত অবস্থায় রয়েছে। মোবাইল অপারেটর রবি ও বাংলালিংক এই তরঙ্গ ব্যবহারের জন্য আবেদন করলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাদের এক মাসের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে তা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। এর আগে গ্রামীণফোনকেও ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। অপারেটরগুলো এখন খতিয়ে দেখবে যে, প্রতিবেশী দেশের ব্যবহৃত তরঙ্গের সাথে এই ব্যান্ডের কোনো সংঘর্ষ বা কারিগরি বাধা তৈরি হয় কি না।
রবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রাহকদের ইনডোর নেটওয়ার্ক এবং ডেটা সমস্যার সমাধানে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও মজুত আছে। অন্যদিকে বাংলালিংক জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক ব্যবহারের ফল দেখার পর তারা এই তরঙ্গ স্থায়ীভাবে কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। সীমান্ত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই ব্যান্ডের কার্যকারিতা নিয়ে অপারেটরদের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই বিটিআরসি চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
বর্তমানে দেশে চারটি মোবাইল অপারেটর ভয়েস ও ইন্টারনেট সেবা প্রদান করছে। নতুন এই তরঙ্গ বরাদ্দ প্রক্রিয়া সফল হলে দেশের মোবাইল সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে। বিশেষ করে ঘরের ভেতরের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী হওয়ার মাধ্যমে গ্রাহক সন্তুষ্টি বাড়বে বলে মনে করছে বিটিআরসি।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
দেশের সাড়ে ১৮ কোটি মোবাইল গ্রাহকের অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক ভোগান্তি কমাতে ‘ই-জিএসএম’ ব্যান্ডের তরঙ্গ বরাদ্দের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)। বিশেষ করে অফিস বা বাসাবাড়ির ভেতরে কথা বলা বা ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া ও ধীরগতির সমস্যা দূর করতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে শহরের তুলনায় প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রাহকরা নেটওয়ার্ক নিয়ে যে জটিলতায় ভুগছেন, নতুন এই তরঙ্গ বরাদ্দের ফলে তার কার্যকর সমাধান মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিটিআরসির কাছে বর্তমানে ৮.৪ মেগাহার্টজ ‘ই-জিএসএম’ তরঙ্গ অবরাদ্দকৃত অবস্থায় রয়েছে। মোবাইল অপারেটর রবি ও বাংলালিংক এই তরঙ্গ ব্যবহারের জন্য আবেদন করলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাদের এক মাসের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে তা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। এর আগে গ্রামীণফোনকেও ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। অপারেটরগুলো এখন খতিয়ে দেখবে যে, প্রতিবেশী দেশের ব্যবহৃত তরঙ্গের সাথে এই ব্যান্ডের কোনো সংঘর্ষ বা কারিগরি বাধা তৈরি হয় কি না।
রবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রাহকদের ইনডোর নেটওয়ার্ক এবং ডেটা সমস্যার সমাধানে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও মজুত আছে। অন্যদিকে বাংলালিংক জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক ব্যবহারের ফল দেখার পর তারা এই তরঙ্গ স্থায়ীভাবে কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। সীমান্ত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই ব্যান্ডের কার্যকারিতা নিয়ে অপারেটরদের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই বিটিআরসি চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
বর্তমানে দেশে চারটি মোবাইল অপারেটর ভয়েস ও ইন্টারনেট সেবা প্রদান করছে। নতুন এই তরঙ্গ বরাদ্দ প্রক্রিয়া সফল হলে দেশের মোবাইল সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে। বিশেষ করে ঘরের ভেতরের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী হওয়ার মাধ্যমে গ্রাহক সন্তুষ্টি বাড়বে বলে মনে করছে বিটিআরসি।

আপনার মতামত লিখুন