নোয়াখালী সরকারি কলেজে শিক্ষকদের মারধর, লাঞ্ছনা এবং অধ্যক্ষের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় কলেজ শাখা ছাত্রদলের তিন নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার ও সভাপতির পদ স্থগিত করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানানো হয়। স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃতরা হলেন—সিনিয়র সহ-সভাপতি মুর্শিদুর রহমান রায়হান, সহ-সভাপতি আক্তারুজ্জামান বিশাল এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন শাওন। এছাড়া বর্তমান সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগের পদ দুই মাসের জন্য স্থগিত এবং সাবেক সভাপতি আকবর হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বুধবার দুপুরে কলেজের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সস্ত্রীক দাপ্তরিক কাজে কলেজে এলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও অন্য শিক্ষকরা মিলে মধ্যাহ্নভোজে বসেন। এ সময় ছাত্রদল সভাপতির নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী অতর্কিত হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং শিক্ষকদের খাবার খেতে বাধা দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। হামলায় বাংলা বিভাগের এক সহযোগী অধ্যাপককে শারীরিকভাবে হেনস্তা এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অন্য এক শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক এবিএম ছানা উল্লাহ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করার ঘোষণা দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষকদের অভিযোগ, মূলত অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে; কারণ দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষকদের কাছে নিয়মিত টাকা দাবি করে আসছিল অভিযুক্তরা। ঘটনার সময় খাবার ফেলে দেওয়া ছাড়াও শিক্ষকদের মারধর করে পোশাক ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে জানা গেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের ছাত্রত্ব বাতিলসহ চার দফা দাবিতে শিক্ষকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন। বর্তমানে ক্যাম্পাসে শিক্ষকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
নোয়াখালী সরকারি কলেজে শিক্ষকদের মারধর, লাঞ্ছনা এবং অধ্যক্ষের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় কলেজ শাখা ছাত্রদলের তিন নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার ও সভাপতির পদ স্থগিত করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানানো হয়। স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃতরা হলেন—সিনিয়র সহ-সভাপতি মুর্শিদুর রহমান রায়হান, সহ-সভাপতি আক্তারুজ্জামান বিশাল এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন শাওন। এছাড়া বর্তমান সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগের পদ দুই মাসের জন্য স্থগিত এবং সাবেক সভাপতি আকবর হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বুধবার দুপুরে কলেজের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সস্ত্রীক দাপ্তরিক কাজে কলেজে এলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও অন্য শিক্ষকরা মিলে মধ্যাহ্নভোজে বসেন। এ সময় ছাত্রদল সভাপতির নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী অতর্কিত হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং শিক্ষকদের খাবার খেতে বাধা দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। হামলায় বাংলা বিভাগের এক সহযোগী অধ্যাপককে শারীরিকভাবে হেনস্তা এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অন্য এক শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক এবিএম ছানা উল্লাহ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করার ঘোষণা দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষকদের অভিযোগ, মূলত অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে; কারণ দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষকদের কাছে নিয়মিত টাকা দাবি করে আসছিল অভিযুক্তরা। ঘটনার সময় খাবার ফেলে দেওয়া ছাড়াও শিক্ষকদের মারধর করে পোশাক ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে জানা গেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের ছাত্রত্ব বাতিলসহ চার দফা দাবিতে শিক্ষকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন। বর্তমানে ক্যাম্পাসে শিক্ষকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন