কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ মনোয়ারা খাতুনের (৪৫) লাশ মৃত্যুর ৮৫ দিন পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে রোববার (১৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ও নওদা ক্ষেমিরদিয়াড় কবরস্থান থেকে লাশটি উত্তোলন করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, গৃহবধূ মনোয়ারা খাতুনের মৃত্যুটি অত্যন্ত রহস্যজনক। এই ঘটনার পর থেকেই তার দ্বিতীয় স্বামী আমিন ব্যাপারী পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ মার্চ মনোয়ারা খাতুন মারা যান। মায়ের এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তার ছেলে সুমন বাদী হয়ে কুষ্টিয়া আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তভার পাওয়ার পর ভেড়ামারা থানা পুলিশ তদন্তের স্বার্থে লাশ উত্তোলনের আবেদন করলে আদালত এই নির্দেশ দেন।
লাশ উত্তোলনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহার, ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. লতিফুল কবির লিমন এবং ভেড়ামারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম (রকিব)।
ভেড়ামারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ মনোয়ারা খাতুনের (৪৫) লাশ মৃত্যুর ৮৫ দিন পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে রোববার (১৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ও নওদা ক্ষেমিরদিয়াড় কবরস্থান থেকে লাশটি উত্তোলন করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, গৃহবধূ মনোয়ারা খাতুনের মৃত্যুটি অত্যন্ত রহস্যজনক। এই ঘটনার পর থেকেই তার দ্বিতীয় স্বামী আমিন ব্যাপারী পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ মার্চ মনোয়ারা খাতুন মারা যান। মায়ের এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তার ছেলে সুমন বাদী হয়ে কুষ্টিয়া আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তভার পাওয়ার পর ভেড়ামারা থানা পুলিশ তদন্তের স্বার্থে লাশ উত্তোলনের আবেদন করলে আদালত এই নির্দেশ দেন।
লাশ উত্তোলনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহার, ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. লতিফুল কবির লিমন এবং ভেড়ামারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম (রকিব)।
ভেড়ামারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন