ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় এক কিশোরীকে (১৫) গণধর্ষণের অভিযোগে তার এক বন্ধুসহ তিন যুবককে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কালিতলা বাজার এলাকার একটি নির্জন গোডাউন ঘর থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—কালিতলা বাজার এলাকার আনারুলের ছেলে তামিম ইসলাম (২২), মিন্টুর ছেলে রনি (২১) ও রহমান মাজেদুরের ছেলে মাসুদ (২২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে ঠাকুরগাঁও সদর থানার একটি বিশেষ টহল দল কালিতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ডিউটি করছিল। রাত গভীর হলে বাজারের একটি গোডাউনের সামনে একটি মোটরসাইকেলের সন্দেহজনক চলাচল দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। এরপর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ওই গোডাউন ঘরে অভিযান চালিয়ে অসুস্থ অবস্থায় ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে এবং ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্ত তিন যুবককে আটক করে। পরে কিশোরীকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, বর্তমানে সে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নির্যাতিত কিশোরীর পরিবার জানায়, মেয়েটি এক বান্ধবীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল এবং রাতে ফোন করে জানায় যে রাত বেশি হওয়ায় সে বান্ধবীর বাসাতেই থেকে যাচ্ছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, সপ্তাহখানেক আগে এক বান্ধবীর মাধ্যমে অভিযুক্ত তামিমের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেই সুবাদে শনিবার তামিম তাকে ঘোরার প্রস্তাব দিলে সে রাজি হয়। দিনভর বিভিন্ন স্থানে ঘোরার পর কৌশল অবলম্বন করে তাকে কালিতলা বাজারের ওই গোডাউনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তামিম তার অন্য দুই বন্ধু রনি ও মাসুদকে ডেকে আনে এবং তিনজন মিলে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, টহল পুলিশের তৎপরতায় গোডাউনের ভেতর থেকে অসুস্থ কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তিন আসামিকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা-মা এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় এক কিশোরীকে (১৫) গণধর্ষণের অভিযোগে তার এক বন্ধুসহ তিন যুবককে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কালিতলা বাজার এলাকার একটি নির্জন গোডাউন ঘর থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—কালিতলা বাজার এলাকার আনারুলের ছেলে তামিম ইসলাম (২২), মিন্টুর ছেলে রনি (২১) ও রহমান মাজেদুরের ছেলে মাসুদ (২২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে ঠাকুরগাঁও সদর থানার একটি বিশেষ টহল দল কালিতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ডিউটি করছিল। রাত গভীর হলে বাজারের একটি গোডাউনের সামনে একটি মোটরসাইকেলের সন্দেহজনক চলাচল দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। এরপর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ওই গোডাউন ঘরে অভিযান চালিয়ে অসুস্থ অবস্থায় ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে এবং ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্ত তিন যুবককে আটক করে। পরে কিশোরীকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, বর্তমানে সে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নির্যাতিত কিশোরীর পরিবার জানায়, মেয়েটি এক বান্ধবীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল এবং রাতে ফোন করে জানায় যে রাত বেশি হওয়ায় সে বান্ধবীর বাসাতেই থেকে যাচ্ছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, সপ্তাহখানেক আগে এক বান্ধবীর মাধ্যমে অভিযুক্ত তামিমের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেই সুবাদে শনিবার তামিম তাকে ঘোরার প্রস্তাব দিলে সে রাজি হয়। দিনভর বিভিন্ন স্থানে ঘোরার পর কৌশল অবলম্বন করে তাকে কালিতলা বাজারের ওই গোডাউনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তামিম তার অন্য দুই বন্ধু রনি ও মাসুদকে ডেকে আনে এবং তিনজন মিলে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, টহল পুলিশের তৎপরতায় গোডাউনের ভেতর থেকে অসুস্থ কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তিন আসামিকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা-মা এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন