টাঙ্গাইলের গোপালপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আব্দুল হাই আল হাদী নামের এক মাদ্রাসা সুপারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তিনি উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির পাশে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের স্ত্রী শাহনাজ পারভীন পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে গোপালপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী মাহবুব আলী গংয়ের সঙ্গে নিহতের পরিবারের দীর্ঘদিনের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। বুধবার সন্ধ্যায় নির্মাণাধীন ঘরে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরিবারের দাবি, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা লাঠিসোটা নিয়ে বাড়িতে এসে গালিগালাজ করে এবং মাগরিবের নামাজের পর অভিযুক্ত মাহবুব খান বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে কিছুক্ষণ পর পেছনের পথ দিয়ে পালিয়ে যান। এরপরই আব্দুল হাই আল হাদীকে উঠানে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করা হলেও অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, আব্দুল হাই আল হাদী স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বর্তমানে পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
গোপালপুর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে এলাকায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আব্দুল হাই আল হাদী নামের এক মাদ্রাসা সুপারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তিনি উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির পাশে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের স্ত্রী শাহনাজ পারভীন পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে গোপালপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী মাহবুব আলী গংয়ের সঙ্গে নিহতের পরিবারের দীর্ঘদিনের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। বুধবার সন্ধ্যায় নির্মাণাধীন ঘরে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরিবারের দাবি, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা লাঠিসোটা নিয়ে বাড়িতে এসে গালিগালাজ করে এবং মাগরিবের নামাজের পর অভিযুক্ত মাহবুব খান বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে কিছুক্ষণ পর পেছনের পথ দিয়ে পালিয়ে যান। এরপরই আব্দুল হাই আল হাদীকে উঠানে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করা হলেও অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, আব্দুল হাই আল হাদী স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বর্তমানে পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
গোপালপুর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে এলাকায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন