ঢাকা নিউজ

সমমর্যাদার ভিত্তিতে প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্বের আহ্বান গয়েশ্বরের



সমমর্যাদার ভিত্তিতে প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্বের আহ্বান গয়েশ্বরের
ছবি : সংগৃহীত

প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর মতো নয় বরং সমমর্যাদার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, যারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করেন না, তাদের রাজনৈতিক অবস্থান এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবেই ভিন্ন। তিনি দাবি করেন, বিরোধী পক্ষের অনেকেই ১৯৪৭ সালের আন্দোলনে অখণ্ড ভারতের পক্ষে ছিলেন এবং তাদের এই বিশেষ সম্পর্ক ব্রিটিশ আমল থেকেই বিদ্যমান।

রাষ্ট্রপতির প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সংসদীয় রীতিনীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অতীতকে আঁকড়ে না থেকে বর্তমানকে মেনে নিয়ে বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। তিনি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের কথা স্মরণ করে বলেন, জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার মূল ভিত্তি ছিল জাতীয়তাবাদ এবং তাকে ভুলে গেলে গণতন্ত্র ও দেশপ্রেম অবশিষ্ট থাকবে না। তিনি চাটুকারিতার পরিবর্তে সমালোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, ২৭ মার্চ জিয়াউর রহমানের ভাষণ শুনেই তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহণের অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন এবং ২৮ মার্চ নিজ এলাকায় মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি স্পিকারের উদ্দেশে বলেন, বৈষম্য, বঞ্চনা এবং অর্থনৈতিক শোষণ থেকে মুক্তির লক্ষ্যেই তারা যুদ্ধ করেছিলেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় উল্লেখ করেন যে, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সেই আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি এবং প্রকৃত মুক্তির লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


সমমর্যাদার ভিত্তিতে প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্বের আহ্বান গয়েশ্বরের

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর মতো নয় বরং সমমর্যাদার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, যারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করেন না, তাদের রাজনৈতিক অবস্থান এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবেই ভিন্ন। তিনি দাবি করেন, বিরোধী পক্ষের অনেকেই ১৯৪৭ সালের আন্দোলনে অখণ্ড ভারতের পক্ষে ছিলেন এবং তাদের এই বিশেষ সম্পর্ক ব্রিটিশ আমল থেকেই বিদ্যমান।

রাষ্ট্রপতির প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সংসদীয় রীতিনীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অতীতকে আঁকড়ে না থেকে বর্তমানকে মেনে নিয়ে বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। তিনি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের কথা স্মরণ করে বলেন, জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার মূল ভিত্তি ছিল জাতীয়তাবাদ এবং তাকে ভুলে গেলে গণতন্ত্র ও দেশপ্রেম অবশিষ্ট থাকবে না। তিনি চাটুকারিতার পরিবর্তে সমালোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, ২৭ মার্চ জিয়াউর রহমানের ভাষণ শুনেই তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহণের অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন এবং ২৮ মার্চ নিজ এলাকায় মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি স্পিকারের উদ্দেশে বলেন, বৈষম্য, বঞ্চনা এবং অর্থনৈতিক শোষণ থেকে মুক্তির লক্ষ্যেই তারা যুদ্ধ করেছিলেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় উল্লেখ করেন যে, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সেই আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি এবং প্রকৃত মুক্তির লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ