ঢাকা নিউজ

পাহাড়ি ঢলে ভাসছে হাওড়: দিশেহারা বোরো চাষি



পাহাড়ি ঢলে ভাসছে হাওড়: দিশেহারা বোরো চাষি
ছবি : সংগৃহীত

বিরামহীন ঝড়-বৃষ্টি আর উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে কিশোরগঞ্জের হাওড়াঞ্চলের নদ-নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উঠতি বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যার ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। সরকারি হিসাবে ইতোমধ্যে প্রায় ৭ হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে, তবে বেসরকারি হিসাবে এই ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার হেক্টর ছাড়িয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, ধনু-বৌলাই ও কালনীসহ প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বিভিন্ন পয়েন্টে ৫ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়েছে। যদিও ভৈরব বাজার পয়েন্টে পানি কিছুটা কমেছে এবং সব নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বৃষ্টি ও ঢল অব্যাহত থাকলে পানি আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

চাষিদের মতে, ধান তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি খলায় স্তূপ করে রাখা হাজার হাজার মণ ধান বৃষ্টির পানিতে পচে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি এবং সময়ের সাথে সাথে ক্ষয়ক্ষতির এই তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শনিবার, ০২ মে ২০২৬


পাহাড়ি ঢলে ভাসছে হাওড়: দিশেহারা বোরো চাষি

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image

বিরামহীন ঝড়-বৃষ্টি আর উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে কিশোরগঞ্জের হাওড়াঞ্চলের নদ-নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উঠতি বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যার ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। সরকারি হিসাবে ইতোমধ্যে প্রায় ৭ হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে, তবে বেসরকারি হিসাবে এই ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার হেক্টর ছাড়িয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, ধনু-বৌলাই ও কালনীসহ প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বিভিন্ন পয়েন্টে ৫ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়েছে। যদিও ভৈরব বাজার পয়েন্টে পানি কিছুটা কমেছে এবং সব নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বৃষ্টি ও ঢল অব্যাহত থাকলে পানি আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

চাষিদের মতে, ধান তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি খলায় স্তূপ করে রাখা হাজার হাজার মণ ধান বৃষ্টির পানিতে পচে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি এবং সময়ের সাথে সাথে ক্ষয়ক্ষতির এই তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ