পিরোজপুর টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নির্মল চন্দ্র ভদ্রের বিরুদ্ধে প্রাইভেট পড়ানোর সময় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শারীরিক নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী করিমুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ছাত্রীর বাবা পিরোজপুর টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। এছাড়া অভিযোগের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২২ মে প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি ফিরে ওই ছাত্রী তার বাবাকে শিক্ষকের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়টি জানায়। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে বিভিন্ন মহল থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। এমনকি থানায় যাওয়ার পর ছাত্রীর এসএসসি পরীক্ষা ও ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের কথা সামনে এনে অভিযোগ প্রত্যাহার করতে অথবা অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক নির্মল চন্দ্র ভদ্রের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি প্রতিবারই লাইনটি কেটে দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে ইতোমধ্যে বিদ্যালয়ের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
পিরোজপুর টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নির্মল চন্দ্র ভদ্রের বিরুদ্ধে প্রাইভেট পড়ানোর সময় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শারীরিক নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী করিমুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ছাত্রীর বাবা পিরোজপুর টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। এছাড়া অভিযোগের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২২ মে প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি ফিরে ওই ছাত্রী তার বাবাকে শিক্ষকের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়টি জানায়। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে বিভিন্ন মহল থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। এমনকি থানায় যাওয়ার পর ছাত্রীর এসএসসি পরীক্ষা ও ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের কথা সামনে এনে অভিযোগ প্রত্যাহার করতে অথবা অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক নির্মল চন্দ্র ভদ্রের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি প্রতিবারই লাইনটি কেটে দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে ইতোমধ্যে বিদ্যালয়ের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন