বাংলাদেশের জনগণ কোনো আধিপত্যবাদী আগ্রাসনের কাছে মাথানত করেনি এবং করবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। ভারত কর্তৃক বাংলাদেশে পুশইন, সীমান্ত হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে সোমবার বিকালে রাজধানীর শাহবাগে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লাল-সবুজ পতাকার ভূখণ্ড রক্ষায় এদেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং সীমান্তবর্তী ৩২ জেলার জনগণ পুশইন রুখে দিতে বিজিবিকে সহযোগিতায় প্রস্তুত আছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয় ও বন্ধুত্বে বিশ্বাসী হলেও কেউ যদি বন্ধুত্বের বেশে দাদাগিরি করতে চায়, তবে এদেশের জনগণ সেটি মেনে নেবে না। সীমান্ত সমস্যা সমাধানে ন্যায্যতা ও সমতার ভিত্তিতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক প্রত্যাশা করে তিনি বলেন, ভারত ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিন্নের বার্তা দিয়েছে এবং শহীদ ওসমান হাদির খুনিকে বাংলাদেশে ফেরত না দিয়ে বন্দী বিনিময় চুক্তি ভঙ্গ করেছে। ভারত সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো দলের সঙ্গে নয়, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হলে এদেশের জনগণের পক্ষে ভূমিকা রাখতে হবে।
১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এবি পার্টি, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, জাগপা, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও এলডিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের জনগণ কোনো আধিপত্যবাদী আগ্রাসনের কাছে মাথানত করেনি এবং করবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। ভারত কর্তৃক বাংলাদেশে পুশইন, সীমান্ত হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে সোমবার বিকালে রাজধানীর শাহবাগে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লাল-সবুজ পতাকার ভূখণ্ড রক্ষায় এদেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং সীমান্তবর্তী ৩২ জেলার জনগণ পুশইন রুখে দিতে বিজিবিকে সহযোগিতায় প্রস্তুত আছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয় ও বন্ধুত্বে বিশ্বাসী হলেও কেউ যদি বন্ধুত্বের বেশে দাদাগিরি করতে চায়, তবে এদেশের জনগণ সেটি মেনে নেবে না। সীমান্ত সমস্যা সমাধানে ন্যায্যতা ও সমতার ভিত্তিতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক প্রত্যাশা করে তিনি বলেন, ভারত ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিন্নের বার্তা দিয়েছে এবং শহীদ ওসমান হাদির খুনিকে বাংলাদেশে ফেরত না দিয়ে বন্দী বিনিময় চুক্তি ভঙ্গ করেছে। ভারত সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো দলের সঙ্গে নয়, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হলে এদেশের জনগণের পক্ষে ভূমিকা রাখতে হবে।
১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এবি পার্টি, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, জাগপা, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও এলডিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন।

আপনার মতামত লিখুন