ঢাকা নিউজ

চুয়াডাঙ্গায় হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু



চুয়াডাঙ্গায় হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
ছবি : সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। মৃত শিশুটির নাম আমির হামজা, যার বয়স মাত্র ৮ মাস। সে দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ালগাছি গ্রামের ইব্রাহীমের ছেলে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ এপ্রিল হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুটিকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে বিশেষ চিকিৎসাধীন রাখা হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার সকালে সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এই আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৪ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে সেখানে ১৪ জন ভর্তি রয়েছেন এবং আমির হামজাকে নিয়ে এই রোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ জনে।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) নাজমুস সাকিব জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। অনেক শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও এখন পর্যন্ত ২ জন শিশুকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শনিবার, ০২ মে ২০২৬


চুয়াডাঙ্গায় হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image

চুয়াডাঙ্গায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। মৃত শিশুটির নাম আমির হামজা, যার বয়স মাত্র ৮ মাস। সে দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ালগাছি গ্রামের ইব্রাহীমের ছেলে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ এপ্রিল হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুটিকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে বিশেষ চিকিৎসাধীন রাখা হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার সকালে সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এই আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৪ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে সেখানে ১৪ জন ভর্তি রয়েছেন এবং আমির হামজাকে নিয়ে এই রোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ জনে।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) নাজমুস সাকিব জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। অনেক শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও এখন পর্যন্ত ২ জন শিশুকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ