ঢাকা নিউজ

নার্সের ভুলে ‘এ’ নেগেটিভ কিশোরীকে দেওয়া হলো ‘ও’ পজিটিভ রক্ত



নার্সের ভুলে ‘এ’ নেগেটিভ কিশোরীকে দেওয়া হলো ‘ও’ পজিটিভ রক্ত
ছবি : সংগৃহীত

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নার্সের চরম অবহেলায় এক কিশোরীর শরীরে ভিন্ন গ্রুপের রক্ত প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ কক্ষে ‘এ’ নেগেটিভ রক্তধারী আফসানা আক্তার নামের ওই কিশোরীকে ‘ও’ পজিটিভ রক্ত দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী আফসানা শেরপুর সদর উপজেলার আনিসুর রহমানের মেয়ে এবং বর্তমানে সে ভুল রক্ত প্রয়োগের ফলে জ্বর ও বমি বমি ভাবসহ শারীরিক জটিলতায় ভুগছে।

স্বজনদের দাবি, কিডনির অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসক রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানালেও নার্স আঁখি জোরপূর্বক রক্ত প্রয়োগ শুরু করেন। এমনকি আপত্তি জানালে তিনি রোগীর স্বজনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে জানা যায়, যে রক্তটি আফসানাকে দেওয়া হয়েছিল, তা আসলে পাশের বিছানার অন্য এক রোগীর জন্য আনা হয়েছিল।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মোসায়েদুল ইসলাম সুমনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান সোহান গাফিলতির সত্যতা স্বীকার করে জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযুক্ত নার্সের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে আক্রান্ত কিশোরীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


নার্সের ভুলে ‘এ’ নেগেটিভ কিশোরীকে দেওয়া হলো ‘ও’ পজিটিভ রক্ত

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নার্সের চরম অবহেলায় এক কিশোরীর শরীরে ভিন্ন গ্রুপের রক্ত প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ কক্ষে ‘এ’ নেগেটিভ রক্তধারী আফসানা আক্তার নামের ওই কিশোরীকে ‘ও’ পজিটিভ রক্ত দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী আফসানা শেরপুর সদর উপজেলার আনিসুর রহমানের মেয়ে এবং বর্তমানে সে ভুল রক্ত প্রয়োগের ফলে জ্বর ও বমি বমি ভাবসহ শারীরিক জটিলতায় ভুগছে।

স্বজনদের দাবি, কিডনির অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসক রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানালেও নার্স আঁখি জোরপূর্বক রক্ত প্রয়োগ শুরু করেন। এমনকি আপত্তি জানালে তিনি রোগীর স্বজনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে জানা যায়, যে রক্তটি আফসানাকে দেওয়া হয়েছিল, তা আসলে পাশের বিছানার অন্য এক রোগীর জন্য আনা হয়েছিল।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মোসায়েদুল ইসলাম সুমনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান সোহান গাফিলতির সত্যতা স্বীকার করে জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযুক্ত নার্সের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে আক্রান্ত কিশোরীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ