বাংলাদেশ-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে আগামী ১৫ মে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে ‘নেপাল উৎসব’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রোববার বিকেলে সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি এই উৎসবের কথা জানান এবং মন্ত্রীকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করেন।
এই উৎসবে নেপালের পোখরা একাডেমি থেকে আগত একটি শিল্পী দল সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেবে এবং নেপালি খাবারের বৈচিত্র্য দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে। সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উষ্ণ আতিথেয়তার প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে, বর্তমানে চলমান ‘সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচি ২০২২-২০২৫’-এর মেয়াদ শেষ হতে চলায় এটি নবায়ন ও এর পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করেছেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বাংলা একাডেমি ও নেপাল একাডেমির মধ্যে সাহিত্যিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার এবং উভয় দেশের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্মগুলো অনুবাদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়া হেরিটেজ ট্যুরিজম বা সাংস্কৃতিক পর্যটন প্রসারে যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাবও আলোচনায় স্থান পায়।
দুই দেশের শিল্পী, গবেষক ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের নিয়মিত সফর বিনিময় এবং যৌথ প্রদর্শনী আয়োজনের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উভয়পক্ষ একমত পোষণ করেন। রাষ্ট্রদূত ঘ্যানশ্যাম ভান্ডারী ঢাকার ‘এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী’তে নেপালের নিয়মিত অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বাংলাদেশ-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে আগামী ১৫ মে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে ‘নেপাল উৎসব’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রোববার বিকেলে সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি এই উৎসবের কথা জানান এবং মন্ত্রীকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করেন।
এই উৎসবে নেপালের পোখরা একাডেমি থেকে আগত একটি শিল্পী দল সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেবে এবং নেপালি খাবারের বৈচিত্র্য দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে। সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উষ্ণ আতিথেয়তার প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে, বর্তমানে চলমান ‘সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচি ২০২২-২০২৫’-এর মেয়াদ শেষ হতে চলায় এটি নবায়ন ও এর পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করেছেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বাংলা একাডেমি ও নেপাল একাডেমির মধ্যে সাহিত্যিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার এবং উভয় দেশের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্মগুলো অনুবাদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়া হেরিটেজ ট্যুরিজম বা সাংস্কৃতিক পর্যটন প্রসারে যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাবও আলোচনায় স্থান পায়।
দুই দেশের শিল্পী, গবেষক ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের নিয়মিত সফর বিনিময় এবং যৌথ প্রদর্শনী আয়োজনের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উভয়পক্ষ একমত পোষণ করেন। রাষ্ট্রদূত ঘ্যানশ্যাম ভান্ডারী ঢাকার ‘এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী’তে নেপালের নিয়মিত অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন