ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের প্রস্তাবকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, দুই দেশের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতি এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) রয়টার্সের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বর্তমান পরিস্থিতিকে একজন মুমূর্ষু রোগীর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “যুদ্ধবিরতি এখন বড় ধরনের লাইফ সাপোর্টে আছে—যেন একজন চিকিৎসক এসে বলছেন, আপনার প্রিয়জনের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা মাত্র ১ শতাংশ।” এর আগে নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের দাবিগুলোর প্রতি সরাসরি অনীহা প্রকাশ করেন।
মূলত, স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, যার জবাবে গত রোববার ইরান বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দেয়। তেহরানের দাবিগুলোর মধ্যে ছিল যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান, মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, পুনরায় হামলা না করার প্রতিশ্রুতি এবং ইরানের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া। ট্রাম্প প্রশাসন এই শর্তগুলোকে অযৌক্তিক বলে মনে করছে।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন যে, এর আগে চার-পাঁচবার চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছালেও শেষ মুহূর্তে ইরানি নেতারা মত বদলেছেন। বিশেষ করে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েও পরে তারা পিছিয়ে গেছেন বলে তিনি দাবি করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর ৮ এপ্রিল থেকে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চলছিল। তবে সাম্প্রতিক এই অচলাবস্থা এবং লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় সেই শান্তি প্রক্রিয়া এখন চরম হুমকির মুখে। গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৫১ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুই বাংলাদেশি শ্রমিকও রয়েছেন। ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় বড় ধরনের যুদ্ধের শঙ্কা জাগিয়ে তুলেছে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের প্রস্তাবকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, দুই দেশের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতি এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) রয়টার্সের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বর্তমান পরিস্থিতিকে একজন মুমূর্ষু রোগীর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “যুদ্ধবিরতি এখন বড় ধরনের লাইফ সাপোর্টে আছে—যেন একজন চিকিৎসক এসে বলছেন, আপনার প্রিয়জনের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা মাত্র ১ শতাংশ।” এর আগে নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের দাবিগুলোর প্রতি সরাসরি অনীহা প্রকাশ করেন।
মূলত, স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, যার জবাবে গত রোববার ইরান বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দেয়। তেহরানের দাবিগুলোর মধ্যে ছিল যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান, মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, পুনরায় হামলা না করার প্রতিশ্রুতি এবং ইরানের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া। ট্রাম্প প্রশাসন এই শর্তগুলোকে অযৌক্তিক বলে মনে করছে।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন যে, এর আগে চার-পাঁচবার চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছালেও শেষ মুহূর্তে ইরানি নেতারা মত বদলেছেন। বিশেষ করে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েও পরে তারা পিছিয়ে গেছেন বলে তিনি দাবি করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর ৮ এপ্রিল থেকে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চলছিল। তবে সাম্প্রতিক এই অচলাবস্থা এবং লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় সেই শান্তি প্রক্রিয়া এখন চরম হুমকির মুখে। গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৫১ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুই বাংলাদেশি শ্রমিকও রয়েছেন। ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় বড় ধরনের যুদ্ধের শঙ্কা জাগিয়ে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন