নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিজের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সন্দেহে ঘুমন্ত ছোট ভাইকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে আপন বড় ভাই। শুক্রবার (১৫ মে) সকালে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ সোনার বাংলা রোডের ফাজিলপাড়া এলাকায় এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত বড় ভাই দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। নিহত মো. মোহন (৩২) ওই এলাকার মো. বাবুল মিয়ার ছোট ছেলে এবং তিনি স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে ভালো বেতনে চাকরি করতেন। অভিযুক্ত বড় ভাইয়ের নাম উজ্জ্বল (৩৪), যিনি পেশায় একজন ওয়ার্কশপের ওয়েল্ডিং কর্মী। স্থানীয় প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, উজ্জ্বল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং এই কারণে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে কিছুটা অবহেলা ও এড়িয়ে চলতেন। অন্যদিকে ছোট ভাই মোহন ভালো চাকরি করায় এবং তাঁর স্বভাব ভালো হওয়ায় পরিবারের সবার পাশাপাশি উজ্জ্বলের স্ত্রীও তাঁকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতেন ও স্নেহ করতেন। কিন্তু এই পারিবারিক সৌহার্দ্যকে উজ্জ্বল তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মোহনের পরকীয়া সম্পর্ক বলে ভুল সন্দেহ করতে শুরু করেন। এই নিয়ে পরিবারে প্রায়ই অশান্তি ও ঝগড়া লেগে থাকত। নিহত মোহনের বাবা বাবুল মিয়া জানান, শুক্রবার ফজর নামাজ শেষ করে তিনি বাড়ির কাছের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। ওই সময় তিনি হঠাৎ দেখতে পান তাঁর বড় ছেলে উজ্জ্বল বাড়ি থেকে হন্তদন্ত হয়ে দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি দ্রুত বাড়ি ফিরে ঘরের মেঝেতে ছোট ছেলে মোহনের রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোহনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাবুল মিয়া আরও জানান, উজ্জ্বল মাদক সেবন করার কারণে পরিবারের সবাই তাকে চাপের মধ্যে রাখত, তবে কী কারণে সে ঘুমন্ত ভাইকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করল তা তিনি নিশ্চিত নন। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তীব্র পারিবারিক কলহ ও পরকীয়ার সন্দেহের জের ধরেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত উজ্জ্বলকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিজের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সন্দেহে ঘুমন্ত ছোট ভাইকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে আপন বড় ভাই। শুক্রবার (১৫ মে) সকালে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ সোনার বাংলা রোডের ফাজিলপাড়া এলাকায় এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত বড় ভাই দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। নিহত মো. মোহন (৩২) ওই এলাকার মো. বাবুল মিয়ার ছোট ছেলে এবং তিনি স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে ভালো বেতনে চাকরি করতেন। অভিযুক্ত বড় ভাইয়ের নাম উজ্জ্বল (৩৪), যিনি পেশায় একজন ওয়ার্কশপের ওয়েল্ডিং কর্মী। স্থানীয় প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, উজ্জ্বল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং এই কারণে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে কিছুটা অবহেলা ও এড়িয়ে চলতেন। অন্যদিকে ছোট ভাই মোহন ভালো চাকরি করায় এবং তাঁর স্বভাব ভালো হওয়ায় পরিবারের সবার পাশাপাশি উজ্জ্বলের স্ত্রীও তাঁকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতেন ও স্নেহ করতেন। কিন্তু এই পারিবারিক সৌহার্দ্যকে উজ্জ্বল তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মোহনের পরকীয়া সম্পর্ক বলে ভুল সন্দেহ করতে শুরু করেন। এই নিয়ে পরিবারে প্রায়ই অশান্তি ও ঝগড়া লেগে থাকত। নিহত মোহনের বাবা বাবুল মিয়া জানান, শুক্রবার ফজর নামাজ শেষ করে তিনি বাড়ির কাছের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। ওই সময় তিনি হঠাৎ দেখতে পান তাঁর বড় ছেলে উজ্জ্বল বাড়ি থেকে হন্তদন্ত হয়ে দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি দ্রুত বাড়ি ফিরে ঘরের মেঝেতে ছোট ছেলে মোহনের রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোহনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাবুল মিয়া আরও জানান, উজ্জ্বল মাদক সেবন করার কারণে পরিবারের সবাই তাকে চাপের মধ্যে রাখত, তবে কী কারণে সে ঘুমন্ত ভাইকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করল তা তিনি নিশ্চিত নন। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তীব্র পারিবারিক কলহ ও পরকীয়ার সন্দেহের জের ধরেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত উজ্জ্বলকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন