উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে নিজের গভীর সখ্যতা ও নিয়মিত যোগাযোগের কথা আবারও প্রকাশ্যে এনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিমের সঙ্গে তাঁর বর্তমান সম্পর্ককে 'অত্যন্ত চমৎকার' হিসেবে বর্ণনা করে ট্রাম্প জানিয়েছেন, দুই নেতার মধ্যে পর্দার আড়ালে নিয়মিত আলাপ-আলোচনা চলছে।
চীন সফর শেষে প্রেসিডেন্টদের বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এই তথ্য নিশ্চিত করেন। কিম জং উনের সঙ্গে সম্প্রতি সরাসরি কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ইতিবাচক উত্তর দেন। তবে ঠিক কতবার বা কী বিষয়ে তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, এই মুহূর্তেই সব তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন মনে করছেন না।
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, কিম জং উন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করছেন। কিমের এই সম্মানজনক আচরণকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প এবং তিনি চান ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকুক। এছাড়া বেইজিং সফরকালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও উত্তর কোরিয়া ইস্যু নিয়ে তাঁর বিশদ আলোচনা হয়েছে বলে জানান ট্রাম্প।
কিমের প্রতি ট্রাম্পের এই নরম ও ইতিবাচক সুর এমন এক সময়ে এলো, যার মাত্র কয়েক মাস আগেই উত্তর কোরিয়ার নেতা পরোক্ষভাবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের উদাহরণ টেনে নিজেদের পরমাণু অস্ত্র রক্ষার যৌক্তিকতা তুলে ধরেছিলেন। ওই সময় তিনি ওয়াশিংটনকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে অভিযুক্তও করেছিলেন। তবে সেই তিক্ততার মাঝেও সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের এই ব্যক্তিগত যোগাযোগ কোরীয় উপদ্বীপের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে নিজের গভীর সখ্যতা ও নিয়মিত যোগাযোগের কথা আবারও প্রকাশ্যে এনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিমের সঙ্গে তাঁর বর্তমান সম্পর্ককে 'অত্যন্ত চমৎকার' হিসেবে বর্ণনা করে ট্রাম্প জানিয়েছেন, দুই নেতার মধ্যে পর্দার আড়ালে নিয়মিত আলাপ-আলোচনা চলছে।
চীন সফর শেষে প্রেসিডেন্টদের বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এই তথ্য নিশ্চিত করেন। কিম জং উনের সঙ্গে সম্প্রতি সরাসরি কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ইতিবাচক উত্তর দেন। তবে ঠিক কতবার বা কী বিষয়ে তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, এই মুহূর্তেই সব তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন মনে করছেন না।
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, কিম জং উন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করছেন। কিমের এই সম্মানজনক আচরণকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প এবং তিনি চান ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকুক। এছাড়া বেইজিং সফরকালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও উত্তর কোরিয়া ইস্যু নিয়ে তাঁর বিশদ আলোচনা হয়েছে বলে জানান ট্রাম্প।
কিমের প্রতি ট্রাম্পের এই নরম ও ইতিবাচক সুর এমন এক সময়ে এলো, যার মাত্র কয়েক মাস আগেই উত্তর কোরিয়ার নেতা পরোক্ষভাবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের উদাহরণ টেনে নিজেদের পরমাণু অস্ত্র রক্ষার যৌক্তিকতা তুলে ধরেছিলেন। ওই সময় তিনি ওয়াশিংটনকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে অভিযুক্তও করেছিলেন। তবে সেই তিক্ততার মাঝেও সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের এই ব্যক্তিগত যোগাযোগ কোরীয় উপদ্বীপের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন