ঢাকা নিউজ

নোয়াখালীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, তদন্তে পুলিশ



নোয়াখালীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, তদন্তে পুলিশ
ছবি : সংগৃহীত

নোয়াখালীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জেলা শহরের জজ আদালত সড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভের মাঝখানে নির্মিত এই জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

শনিবার ভোরে এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলেও দিনভর বিষয়টি কারও নজরে না আসায় তা জানাজানি হয়নি। পরে শনিবার সন্ধ্যার দিকে স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে তৎপর হয়।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একদল তরুণ স্মৃতিস্তম্ভ ও এর আশপাশে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে স্মৃতিস্তম্ভের নিচের অংশের কিছু অংশ পুড়ে যায়। ভিডিওতে উপস্থিত একজনকে বলতে শোনা যায়, স্বাধীন সার্বভৌম এ দেশ থেকে রাজাকারের চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগই যথেষ্ট। এ সময় ভিডিওতে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ এবং ‘নোয়াখালী থেকে রাজাকার বিতাড়িত করার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রস্তুত’— এমন বক্তব্য ও স্লোগান দিতে দিতে তরুণদের ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে কারা এবং কখন আগুন দিয়েছে, সে বিষয়ে আগে তাদের কাছে কোনো তথ্য ছিল না। যারা এই কাজ করেছে, তারাই একটি ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখেছে যে আগুনের কারণে স্মৃতিস্তম্ভের কিছু অংশ কালো হয়ে গেছে। বর্তমানে ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


নোয়াখালীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, তদন্তে পুলিশ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬

featured Image

নোয়াখালীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জেলা শহরের জজ আদালত সড়কের উত্তর পাশে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভের মাঝখানে নির্মিত এই জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

শনিবার ভোরে এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলেও দিনভর বিষয়টি কারও নজরে না আসায় তা জানাজানি হয়নি। পরে শনিবার সন্ধ্যার দিকে স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে তৎপর হয়।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একদল তরুণ স্মৃতিস্তম্ভ ও এর আশপাশে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে স্মৃতিস্তম্ভের নিচের অংশের কিছু অংশ পুড়ে যায়। ভিডিওতে উপস্থিত একজনকে বলতে শোনা যায়, স্বাধীন সার্বভৌম এ দেশ থেকে রাজাকারের চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগই যথেষ্ট। এ সময় ভিডিওতে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ এবং ‘নোয়াখালী থেকে রাজাকার বিতাড়িত করার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রস্তুত’— এমন বক্তব্য ও স্লোগান দিতে দিতে তরুণদের ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে কারা এবং কখন আগুন দিয়েছে, সে বিষয়ে আগে তাদের কাছে কোনো তথ্য ছিল না। যারা এই কাজ করেছে, তারাই একটি ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখেছে যে আগুনের কারণে স্মৃতিস্তম্ভের কিছু অংশ কালো হয়ে গেছে। বর্তমানে ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ