ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ ও উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’র নাম বদলে নিজের নামে করার দাবি তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি মানচিত্রের ছবি শেয়ার করেন তিনি, যেখানে হরমুজ প্রণালিকে ‘স্ট্রেইট অব ট্রাম্প’ (Strait of Trump) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মানচিত্রটি মূলত ‘আইস্টান্ডউইথট্রাম্প৪৭’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা হয়েছিল, যা ট্রাম্প কোনো ক্যাপশন ছাড়াই পুনরায় পোস্ট করেন। উল্লেখ্য, এর আগেও এক বক্তৃতায় তিনি এই জলপথের জন্য ‘ট্রাম্প স্ট্রেইট’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। সে সময় উপস্থিত জনতা হাসাহাসি করলে ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন যে, গণমাধ্যম এটিকে ‘ভুল’ মনে করলেও তিনি খুব কমই ভুল করেন।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চরম বিরোধ চলছে। ইরান এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে টোল আদায়ের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চায় কোনো শর্ত ছাড়াই এটি উন্মুক্ত থাকুক। কয়েক মাস ধরে চলা মার্কিন নৌ-অবরোধ আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে—এমন সতর্কবার্তার মধ্যেই ট্রাম্পের এই প্রতীকী পদক্ষেপ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকরা এটিকে ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ ও উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’র নাম বদলে নিজের নামে করার দাবি তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি মানচিত্রের ছবি শেয়ার করেন তিনি, যেখানে হরমুজ প্রণালিকে ‘স্ট্রেইট অব ট্রাম্প’ (Strait of Trump) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মানচিত্রটি মূলত ‘আইস্টান্ডউইথট্রাম্প৪৭’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা হয়েছিল, যা ট্রাম্প কোনো ক্যাপশন ছাড়াই পুনরায় পোস্ট করেন। উল্লেখ্য, এর আগেও এক বক্তৃতায় তিনি এই জলপথের জন্য ‘ট্রাম্প স্ট্রেইট’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। সে সময় উপস্থিত জনতা হাসাহাসি করলে ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন যে, গণমাধ্যম এটিকে ‘ভুল’ মনে করলেও তিনি খুব কমই ভুল করেন।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চরম বিরোধ চলছে। ইরান এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে টোল আদায়ের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চায় কোনো শর্ত ছাড়াই এটি উন্মুক্ত থাকুক। কয়েক মাস ধরে চলা মার্কিন নৌ-অবরোধ আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে—এমন সতর্কবার্তার মধ্যেই ট্রাম্পের এই প্রতীকী পদক্ষেপ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকরা এটিকে ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন