পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে রক্ষা করার ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। বৃহস্পতিবার পারস্য উপসাগরীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক লিখিত বার্তায় তিনি স্পষ্ট করেন যে, যেকোনো মূল্যে ইরান তার সামরিক ও পারমাণবিক শক্তি বজায় রাখবে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।
মোজতবা খামেনির এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে একটি নতুন চুক্তি করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এই বিবৃতিতে সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, তেহরান নৌপথের শত্রুকে নির্মূল করবে এবং পারস্য উপসাগরে নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখবে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিমান হামলায় বাবা আলি খামেনির মৃত্যুর পর থেকে মোজতবা খামেনি এভাবেই তার অবস্থান তুলে ধরছেন। তিনি মনে করেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের পর থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে ক্ষমতার একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে।
এ সময় হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রবর্তিত নতুন বিধি-বিধান ও ব্যবস্থাপনার পক্ষে যুক্তি দেন মোজতবা খামেনি। তার মতে, এই পদক্ষেপ এই অঞ্চলের শান্তি ও অগ্রগতির পাশাপাশি সকল উপসাগরীয় রাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে রক্ষা করার ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। বৃহস্পতিবার পারস্য উপসাগরীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক লিখিত বার্তায় তিনি স্পষ্ট করেন যে, যেকোনো মূল্যে ইরান তার সামরিক ও পারমাণবিক শক্তি বজায় রাখবে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।
মোজতবা খামেনির এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে একটি নতুন চুক্তি করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এই বিবৃতিতে সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, তেহরান নৌপথের শত্রুকে নির্মূল করবে এবং পারস্য উপসাগরে নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখবে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিমান হামলায় বাবা আলি খামেনির মৃত্যুর পর থেকে মোজতবা খামেনি এভাবেই তার অবস্থান তুলে ধরছেন। তিনি মনে করেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের পর থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে ক্ষমতার একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে।
এ সময় হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রবর্তিত নতুন বিধি-বিধান ও ব্যবস্থাপনার পক্ষে যুক্তি দেন মোজতবা খামেনি। তার মতে, এই পদক্ষেপ এই অঞ্চলের শান্তি ও অগ্রগতির পাশাপাশি সকল উপসাগরীয় রাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে।

আপনার মতামত লিখুন