ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুশিয়ারির পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে তৈরি হওয়া নতুন অনিশ্চয়তারই সরাসরি প্রভাব বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩.৪৭ ডলার বা ৩.৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৯.১৯ ডলারে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ফিউচার ৩.৭২ ডলার বা ৩.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১০৪.৮৯ ডলারে পৌঁছায়। সাপ্তাহিক হিসেবে অপরিশোধিত তেলের দাম সামগ্রিকভাবে ৭.৮ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই ৯.৯ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
হোয়াইট হাউসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার পর ট্রাম্প সাফ জানান, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত থাকতে হবে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ইরান ইস্যুতে তাঁর ধৈর্যের সীমা ফুরিয়ে আসছে। ভান্ডা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা ভান্ডানা হরি বলেন, ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর বাজার এখন হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি ও সম্ভাব্য নতুন সামরিক উত্তেজনার দিকে নজর রাখছে, যা দামের ওপর প্রভাব ফেলছে।
অবশ্য ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে ৩০টি জাহাজ চলাচল করেছে, যা যুদ্ধের আগের দৈনিক গড় ১৪০টির তুলনায় অনেক কম হলেও সাম্প্রতিক সময়ের চেয়ে কিছুটা বেশি। শিপিং অ্যানালিটিকস প্রতিষ্ঠান কেপলার-ও জানিয়েছে যে প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তব সরবরাহের চেয়ে বর্তমানে বাজারের মনস্তাত্ত্বিক উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তাই তেলের দাম এভাবে বাড়িয়ে তোলার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করছে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুশিয়ারির পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে তৈরি হওয়া নতুন অনিশ্চয়তারই সরাসরি প্রভাব বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩.৪৭ ডলার বা ৩.৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৯.১৯ ডলারে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ফিউচার ৩.৭২ ডলার বা ৩.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১০৪.৮৯ ডলারে পৌঁছায়। সাপ্তাহিক হিসেবে অপরিশোধিত তেলের দাম সামগ্রিকভাবে ৭.৮ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই ৯.৯ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
হোয়াইট হাউসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার পর ট্রাম্প সাফ জানান, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত থাকতে হবে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ইরান ইস্যুতে তাঁর ধৈর্যের সীমা ফুরিয়ে আসছে। ভান্ডা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা ভান্ডানা হরি বলেন, ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর বাজার এখন হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি ও সম্ভাব্য নতুন সামরিক উত্তেজনার দিকে নজর রাখছে, যা দামের ওপর প্রভাব ফেলছে।
অবশ্য ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে ৩০টি জাহাজ চলাচল করেছে, যা যুদ্ধের আগের দৈনিক গড় ১৪০টির তুলনায় অনেক কম হলেও সাম্প্রতিক সময়ের চেয়ে কিছুটা বেশি। শিপিং অ্যানালিটিকস প্রতিষ্ঠান কেপলার-ও জানিয়েছে যে প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তব সরবরাহের চেয়ে বর্তমানে বাজারের মনস্তাত্ত্বিক উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তাই তেলের দাম এভাবে বাড়িয়ে তোলার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করছে।

আপনার মতামত লিখুন