লেবাননে অবৈধ বসতি স্থাপন এবং গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার বিতর্কিত পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জেরুজালেমে পূর্ব জেরুজালেম দখলের বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। বেন-গভির স্পষ্ট করে বলেন, ‘গাজা এবং জুদিয়া ও সামারিয়া (পশ্চিম তীর) থেকে ফিলিস্তিনিদের অভিবাসন উৎসাহিত করা এবং লেবাননে বসতি স্থাপনের আরও পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।’
২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় এবং পরবর্তীতে লেবাননের সঙ্গেও যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ইসরাইল সেখানে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের এসব হামলায় গাজায় অন্তত ৮৫৭ জন এবং লেবাননে ২ হাজার ৮৯৬ জন নিহত হয়েছেন। তবে এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই উগ্র ডানপন্থি এই ইসরাইলি মন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, যারা তাদের প্রতিহত করতে চাইবে, তাদের সবাইকে নির্মূল করতে তারা ভয় পাবেন না।
অনুষ্ঠানে ইসরাইলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিদের ওপর আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধ নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেন বেন-গভির। তিনি গত ৩০ মার্চ ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে পাশ হওয়া একটি আইনের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন এই আইন অনুযায়ী, ইসরাইলি নাগরিক হত্যার সাথে জড়িত বা পরিকল্পনার অভিযোগে অভিযুক্ত ফিলিস্তিনিদের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই ফাঁসির দণ্ড দেওয়া যাবে এবং এর জন্য প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক আবেদন বা সর্বসম্মত বিচারিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হবে না।
জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্য বিলোপ কমিটি ইসরাইলকে অবিলম্বে এই কালো আইন বাতিলের আহ্বান জানালেও ইসরাইল তা অগ্রাহ্য করছে। বর্তমানে ইসরাইলি কারাগারে নারী ও শিশুসহ ৯ হাজার ৬০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন, যারা চরম নির্যাতন, অনাহার ও চিকিৎসা অবহেলার শিকার হচ্ছেন বলে মানবাধিকার সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে। বন্দিদের ন্যূনতম অধিকার কেড়ে নিয়ে কারাগারগুলোকে ‘সত্যিকারের কারাগার’ এ পরিণত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন এই বিতর্কিত ইসরাইলি মন্ত্রী।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
লেবাননে অবৈধ বসতি স্থাপন এবং গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার বিতর্কিত পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জেরুজালেমে পূর্ব জেরুজালেম দখলের বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। বেন-গভির স্পষ্ট করে বলেন, ‘গাজা এবং জুদিয়া ও সামারিয়া (পশ্চিম তীর) থেকে ফিলিস্তিনিদের অভিবাসন উৎসাহিত করা এবং লেবাননে বসতি স্থাপনের আরও পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।’
২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় এবং পরবর্তীতে লেবাননের সঙ্গেও যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ইসরাইল সেখানে নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের এসব হামলায় গাজায় অন্তত ৮৫৭ জন এবং লেবাননে ২ হাজার ৮৯৬ জন নিহত হয়েছেন। তবে এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই উগ্র ডানপন্থি এই ইসরাইলি মন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, যারা তাদের প্রতিহত করতে চাইবে, তাদের সবাইকে নির্মূল করতে তারা ভয় পাবেন না।
অনুষ্ঠানে ইসরাইলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিদের ওপর আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধ নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেন বেন-গভির। তিনি গত ৩০ মার্চ ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে পাশ হওয়া একটি আইনের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন এই আইন অনুযায়ী, ইসরাইলি নাগরিক হত্যার সাথে জড়িত বা পরিকল্পনার অভিযোগে অভিযুক্ত ফিলিস্তিনিদের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই ফাঁসির দণ্ড দেওয়া যাবে এবং এর জন্য প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক আবেদন বা সর্বসম্মত বিচারিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হবে না।
জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্য বিলোপ কমিটি ইসরাইলকে অবিলম্বে এই কালো আইন বাতিলের আহ্বান জানালেও ইসরাইল তা অগ্রাহ্য করছে। বর্তমানে ইসরাইলি কারাগারে নারী ও শিশুসহ ৯ হাজার ৬০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন, যারা চরম নির্যাতন, অনাহার ও চিকিৎসা অবহেলার শিকার হচ্ছেন বলে মানবাধিকার সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে। বন্দিদের ন্যূনতম অধিকার কেড়ে নিয়ে কারাগারগুলোকে ‘সত্যিকারের কারাগার’ এ পরিণত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন এই বিতর্কিত ইসরাইলি মন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন