ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতে একটি অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেছে, যেখানে কিক-অফের পরপরই বলটি ইচ্ছা করে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেয় মরক্কো। তবে এটি কোনো ভুল ছিল না, বরং এটি একটি পরিকল্পিত কৌশল যা ইউরোপিয়ান ফুটবলে অনেক দল এখন ব্যবহার করছে। এই কৌশলের মূল ধারণা হলো ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষকে বল দিয়ে দেওয়া এবং তারপর হাইপ্রেস করা, যা ভালো প্রেসিং করতে পারা এবং হাই ডিফেন্সিভ লাইনে খেলা দলগুলোর জন্য বেশ কার্যকর। এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে নিজের অর্ধে পাসের বিনিময় করতে বাধ্য করা যায়।
গ্রুপো গ্লোবোর ধারাভাষ্যকার রদ্রিগো কুতিনিও এই কৌশলের ব্যাখ্যা দিয়ে জানান, এটি মূলত আরও সহজে সুযোগ তৈরির একটি চেষ্টা। টাইট ডিফেন্সের বিপক্ষে বল পায়ে রেখে খেললে ২৫-৩০ মিটার জায়গায় প্রতিপক্ষের দশজন খেলোয়াড় এবং গোলরক্ষক থাকে, যেখানে সুযোগ তৈরি করা অনেক কঠিন। তবে বল ছেড়ে দিয়ে অনবরত প্রেস করতে থাকলে ঠিক এর বিপরীত একটি সুবিধাজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়।
পিএসজি এবং আর্সেনালের মতো বড় ক্লাবগুলোও এই কৌশল ব্যবহার করে থাকে। তবে ব্রাজিলের বিপক্ষে মরক্কোর এই পরিকল্পনা পুরোপুরি কাজে আসেনি। ইবানেজ খুব দ্রুত থ্রো-ইন নেওয়ায় মরক্কোর আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা সেখানে সময়মতো পৌঁছাতে পারেননি। পরবর্তীতে মার্কিনিওস বল সামনে পাঠিয়ে দিলে ওই পরিস্থিতি থেকে ব্রাজিলকে তেমন কোনো বিপদে পড়তে হয়নি।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতে একটি অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেছে, যেখানে কিক-অফের পরপরই বলটি ইচ্ছা করে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেয় মরক্কো। তবে এটি কোনো ভুল ছিল না, বরং এটি একটি পরিকল্পিত কৌশল যা ইউরোপিয়ান ফুটবলে অনেক দল এখন ব্যবহার করছে। এই কৌশলের মূল ধারণা হলো ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষকে বল দিয়ে দেওয়া এবং তারপর হাইপ্রেস করা, যা ভালো প্রেসিং করতে পারা এবং হাই ডিফেন্সিভ লাইনে খেলা দলগুলোর জন্য বেশ কার্যকর। এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে নিজের অর্ধে পাসের বিনিময় করতে বাধ্য করা যায়।
গ্রুপো গ্লোবোর ধারাভাষ্যকার রদ্রিগো কুতিনিও এই কৌশলের ব্যাখ্যা দিয়ে জানান, এটি মূলত আরও সহজে সুযোগ তৈরির একটি চেষ্টা। টাইট ডিফেন্সের বিপক্ষে বল পায়ে রেখে খেললে ২৫-৩০ মিটার জায়গায় প্রতিপক্ষের দশজন খেলোয়াড় এবং গোলরক্ষক থাকে, যেখানে সুযোগ তৈরি করা অনেক কঠিন। তবে বল ছেড়ে দিয়ে অনবরত প্রেস করতে থাকলে ঠিক এর বিপরীত একটি সুবিধাজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়।
পিএসজি এবং আর্সেনালের মতো বড় ক্লাবগুলোও এই কৌশল ব্যবহার করে থাকে। তবে ব্রাজিলের বিপক্ষে মরক্কোর এই পরিকল্পনা পুরোপুরি কাজে আসেনি। ইবানেজ খুব দ্রুত থ্রো-ইন নেওয়ায় মরক্কোর আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা সেখানে সময়মতো পৌঁছাতে পারেননি। পরবর্তীতে মার্কিনিওস বল সামনে পাঠিয়ে দিলে ওই পরিস্থিতি থেকে ব্রাজিলকে তেমন কোনো বিপদে পড়তে হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন