চলতি বছরের আগস্ট মাসেই বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা–পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেল ও সড়ক পরিবহন এবং সেতু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। একই সময় পর্যায়ক্রমে ঢাকা–খুলনা রুটেও সরাসরি ট্রেন চলাচল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।
শনিবার দুপুরে পাবনা সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন দুটি রুট চালুর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ঢাকা–পাবনা রুটে সরাসরি ট্রেন চালু হবে। পরবর্তী ধাপে ঢাকা–খুলনা রুটেও একই সুবিধা চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে লোকোমোটিভ প্রস্তুত রয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন কোচ যুক্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, রেল খাতে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে অবকাঠামো ও সেবা ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নয়ন করা হচ্ছে। যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধি এবং সময়মতো ট্রেন পরিচালনার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
কাজিরহাট ফেরিঘাট স্থানান্তর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাই ও উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এটি স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি এবং জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সরকার দ্রুত বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।
পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর বিষয়ে তিনি বলেন, মালিক ও শ্রমিকদের সমন্বিত উদ্যোগে একটি সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ধাপে ধাপে আধুনিক ও সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
চলতি বছরের আগস্ট মাসেই বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা–পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেল ও সড়ক পরিবহন এবং সেতু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। একই সময় পর্যায়ক্রমে ঢাকা–খুলনা রুটেও সরাসরি ট্রেন চলাচল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।
শনিবার দুপুরে পাবনা সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন দুটি রুট চালুর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ঢাকা–পাবনা রুটে সরাসরি ট্রেন চালু হবে। পরবর্তী ধাপে ঢাকা–খুলনা রুটেও একই সুবিধা চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে লোকোমোটিভ প্রস্তুত রয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন কোচ যুক্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, রেল খাতে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে অবকাঠামো ও সেবা ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নয়ন করা হচ্ছে। যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধি এবং সময়মতো ট্রেন পরিচালনার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
কাজিরহাট ফেরিঘাট স্থানান্তর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাই ও উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এটি স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি এবং জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সরকার দ্রুত বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।
পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর বিষয়ে তিনি বলেন, মালিক ও শ্রমিকদের সমন্বিত উদ্যোগে একটি সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ধাপে ধাপে আধুনিক ও সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন