সৌদি আরবে ড্রাইভিং ভিসায় চাকরি ও উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রবাসে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার আছকির আলী ও আজবর আলী নামের দুই সহোদরের বিরুদ্ধে। তাদের প্রতারণার শিকার হয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জের অন্তত ২১টি পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার বিকালে বিশ্বনাথের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা এই অভিযোগ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আজিম খান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা দেখে তিনি ড্রাইভিং ভিসায় চাকরির আশায় চার কিস্তিতে পাঁচ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। তবে প্রতিশ্রুত ভিসার পরিবর্তে তাকে তিন মাস মেয়াদি একটি ভিসার কপি দেওয়া হয় এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার দুই দিন আগে ঢাকায় নিয়ে তার টাকা, ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আটকে রেখে মানসিকভাবে হয়রানি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং পরবর্তীতে ফেসবুকে নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশের পর আরও ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়।
ভুক্তভোগীরা এই প্রতারণার বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দায়েরের পর সমাধান না হওয়ায় গত ১৪ জুন সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, অনেককে সৌদি আরবে নিয়ে গিয়ে কাজ ও বেতন না দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে, আবার কাউকে কাউকে ঢাকায় আটকে রেখে অর্থ আদায় করে এভাবে অসহায় মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।
দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান জানান, ২১ জন ভুক্তভোগী ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে ডেকে তিনবার নোটিশ দেওয়া হলেও অভিযুক্তরা উপস্থিত হননি, যার ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্যদিকে অভিযুক্ত আছকির আলী সৌদি আরব থেকে তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে, তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে এবং নির্যাতনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
সৌদি আরবে ড্রাইভিং ভিসায় চাকরি ও উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রবাসে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার আছকির আলী ও আজবর আলী নামের দুই সহোদরের বিরুদ্ধে। তাদের প্রতারণার শিকার হয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জের অন্তত ২১টি পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার বিকালে বিশ্বনাথের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা এই অভিযোগ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আজিম খান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা দেখে তিনি ড্রাইভিং ভিসায় চাকরির আশায় চার কিস্তিতে পাঁচ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। তবে প্রতিশ্রুত ভিসার পরিবর্তে তাকে তিন মাস মেয়াদি একটি ভিসার কপি দেওয়া হয় এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার দুই দিন আগে ঢাকায় নিয়ে তার টাকা, ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আটকে রেখে মানসিকভাবে হয়রানি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং পরবর্তীতে ফেসবুকে নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশের পর আরও ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়।
ভুক্তভোগীরা এই প্রতারণার বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দায়েরের পর সমাধান না হওয়ায় গত ১৪ জুন সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, অনেককে সৌদি আরবে নিয়ে গিয়ে কাজ ও বেতন না দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে, আবার কাউকে কাউকে ঢাকায় আটকে রেখে অর্থ আদায় করে এভাবে অসহায় মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।
দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান জানান, ২১ জন ভুক্তভোগী ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে ডেকে তিনবার নোটিশ দেওয়া হলেও অভিযুক্তরা উপস্থিত হননি, যার ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্যদিকে অভিযুক্ত আছকির আলী সৌদি আরব থেকে তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে, তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে এবং নির্যাতনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

আপনার মতামত লিখুন