ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তীব্র হট্টগোল ও বাদানুবাদের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে পার্থ দাবি করেন যে, বিরোধীদলীয় নেতারা জিয়া পরিবার থেকে মানুষকে মুক্ত করার কথা বলেছেন। তার এই মন্তব্যের পরপরই বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং সংসদে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ব্যারিস্টার পার্থের বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান তাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি বলেন, পার্থ সাহেব অত্যন্ত মেধাবী বিতার্কিক হলেও তার বক্তব্যে কিছু তথ্যগত ভুল রয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান জোর দিয়ে বলেন যে, তিনি কখনোই জিয়া পরিবারকে নিয়ে কোনো অবমাননাকর বা বেপরোয়া মন্তব্য করেননি, এমনকি শেখ হাসিনাকে নিয়েও এমন ভাষা ব্যবহার করেন না। তিনি পার্থকে অনুরোধ করেন যেন বক্তব্যে মাধুর্য আনতে গিয়ে ভবিষ্যতে কোনো ভিত্তিহীন মন্তব্য না করা হয়।
জবাবে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ তার কাছে থাকা কিছু নথি ও ভিডিও ক্লিপের কথা উল্লেখ করে বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একজন নেতা জিয়া পরিবার নিয়ে ওই মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বিরোধী দলের সদস্যদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন যে, ১১ দলীয় জোটের নেতা হিসেবেই তিনি ডা. শফিকুর রহমানের প্রসঙ্গ টেনেছিলেন। তবে কোনো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে সেটি নিরসনে তার কোনো আপত্তি নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সংসদ কক্ষের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল হস্তক্ষেপ করেন এবং সংসদ সদস্যদের শান্ত হওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, একে অপরকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার কোনো অধিকার কারো নেই। আলোচনার সমাপ্তিতে ডা. শফিকুর রহমান পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সংসদে দাঁড়িয়ে কোনো রেফারেন্স দিলে তা অবশ্যই স্বচ্ছ ও তথ্যনির্ভর হতে হবে, অন্যথায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তীব্র হট্টগোল ও বাদানুবাদের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে পার্থ দাবি করেন যে, বিরোধীদলীয় নেতারা জিয়া পরিবার থেকে মানুষকে মুক্ত করার কথা বলেছেন। তার এই মন্তব্যের পরপরই বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং সংসদে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ব্যারিস্টার পার্থের বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান তাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি বলেন, পার্থ সাহেব অত্যন্ত মেধাবী বিতার্কিক হলেও তার বক্তব্যে কিছু তথ্যগত ভুল রয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান জোর দিয়ে বলেন যে, তিনি কখনোই জিয়া পরিবারকে নিয়ে কোনো অবমাননাকর বা বেপরোয়া মন্তব্য করেননি, এমনকি শেখ হাসিনাকে নিয়েও এমন ভাষা ব্যবহার করেন না। তিনি পার্থকে অনুরোধ করেন যেন বক্তব্যে মাধুর্য আনতে গিয়ে ভবিষ্যতে কোনো ভিত্তিহীন মন্তব্য না করা হয়।
জবাবে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ তার কাছে থাকা কিছু নথি ও ভিডিও ক্লিপের কথা উল্লেখ করে বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একজন নেতা জিয়া পরিবার নিয়ে ওই মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বিরোধী দলের সদস্যদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন যে, ১১ দলীয় জোটের নেতা হিসেবেই তিনি ডা. শফিকুর রহমানের প্রসঙ্গ টেনেছিলেন। তবে কোনো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে সেটি নিরসনে তার কোনো আপত্তি নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সংসদ কক্ষের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল হস্তক্ষেপ করেন এবং সংসদ সদস্যদের শান্ত হওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, একে অপরকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার কোনো অধিকার কারো নেই। আলোচনার সমাপ্তিতে ডা. শফিকুর রহমান পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সংসদে দাঁড়িয়ে কোনো রেফারেন্স দিলে তা অবশ্যই স্বচ্ছ ও তথ্যনির্ভর হতে হবে, অন্যথায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।

আপনার মতামত লিখুন