মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইসরাইল এবং কাতারকে মোট ৫০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। মার্কিন বৈদেশিক নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্য পূরণে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই চুক্তির আওতায় কাতার ৪০০ কোটি ডলার মূল্যের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাবে। চলমান আঞ্চলিক অস্থিরতার মাঝে কাতারের আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষমতা জোরদার করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো রক্ষা করাই এই বিক্রয় প্রক্রিয়ার প্রধান উদ্দেশ্য।
অন্যদিকে, ইসরাইলের জন্য প্রায় ১০০ কোটি ডলারের উন্নত নির্দেশিত অস্ত্র ব্যবস্থার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার নির্ভুলতা এবং অভিযানের কার্যকারিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
মার্কিন আইন অনুযায়ী, বড় ধরনের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির ক্ষেত্রে কংগ্রেসের পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, কৌশলগত অংশীদারদের এই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ করা অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং সম্ভাব্য যে কোনো আগ্রাসন ঠেকাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইসরাইল এবং কাতারকে মোট ৫০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। মার্কিন বৈদেশিক নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্য পূরণে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই চুক্তির আওতায় কাতার ৪০০ কোটি ডলার মূল্যের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাবে। চলমান আঞ্চলিক অস্থিরতার মাঝে কাতারের আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষমতা জোরদার করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো রক্ষা করাই এই বিক্রয় প্রক্রিয়ার প্রধান উদ্দেশ্য।
অন্যদিকে, ইসরাইলের জন্য প্রায় ১০০ কোটি ডলারের উন্নত নির্দেশিত অস্ত্র ব্যবস্থার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার নির্ভুলতা এবং অভিযানের কার্যকারিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
মার্কিন আইন অনুযায়ী, বড় ধরনের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির ক্ষেত্রে কংগ্রেসের পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, কৌশলগত অংশীদারদের এই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ করা অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং সম্ভাব্য যে কোনো আগ্রাসন ঠেকাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

আপনার মতামত লিখুন