যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি ও হুমকি’ বন্ধ করা হলে দেশটির সঙ্গে পুনরায় আলোচনায় বসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। গত শুক্রবার তুরস্ক সফরে গিয়ে ছয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি এ অবস্থান স্পষ্ট করেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি জানান, ইরান এই যুদ্ধ শুরু করেনি এবং আলোচনার মাধ্যমে সব মতপার্থক্য নিরসনে তারা প্রস্তুত। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি ভেঙে পুনরায় হামলা চালায়, তবে তা মোকাবিলার জন্য ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য ইরান সংলাপের পক্ষে থাকলেও এর পূর্বশর্ত হিসেবে ওয়াশিংটনকে উসকানিমূলক আচরণ বন্ধ করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান অভিমুখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানের পর ৪০ দিনের যুদ্ধ শেষে ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়। পরবর্তীতে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানে দুই দেশের প্রতিনিধিরা দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা বৈঠক করলেও কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। ইরান সম্প্রতি একটি তিন স্তরের শান্তি পরিকল্পনার প্রস্তাব দিলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নিরসনে নতুন করে সংলাপের সম্ভাবনা তৈরি হলেও তা নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কেবল সম্মানজনক ও হুমকিহীন পরিবেশেই আলোচনার টেবিলে ফিরতে আগ্রহী। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পুনরায় সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেও তেহরান তাদের কূটনৈতিক দরজা এখনই পুরোপুরি বন্ধ করছে না।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি ও হুমকি’ বন্ধ করা হলে দেশটির সঙ্গে পুনরায় আলোচনায় বসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। গত শুক্রবার তুরস্ক সফরে গিয়ে ছয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি এ অবস্থান স্পষ্ট করেন। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি জানান, ইরান এই যুদ্ধ শুরু করেনি এবং আলোচনার মাধ্যমে সব মতপার্থক্য নিরসনে তারা প্রস্তুত। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি ভেঙে পুনরায় হামলা চালায়, তবে তা মোকাবিলার জন্য ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য ইরান সংলাপের পক্ষে থাকলেও এর পূর্বশর্ত হিসেবে ওয়াশিংটনকে উসকানিমূলক আচরণ বন্ধ করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান অভিমুখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানের পর ৪০ দিনের যুদ্ধ শেষে ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়। পরবর্তীতে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানে দুই দেশের প্রতিনিধিরা দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা বৈঠক করলেও কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। ইরান সম্প্রতি একটি তিন স্তরের শান্তি পরিকল্পনার প্রস্তাব দিলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নিরসনে নতুন করে সংলাপের সম্ভাবনা তৈরি হলেও তা নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কেবল সম্মানজনক ও হুমকিহীন পরিবেশেই আলোচনার টেবিলে ফিরতে আগ্রহী। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পুনরায় সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেও তেহরান তাদের কূটনৈতিক দরজা এখনই পুরোপুরি বন্ধ করছে না।

আপনার মতামত লিখুন