ইউরোপে নিজেদের সামরিক অবস্থান পর্যালোচনার অংশ হিসেবে জার্মানি থেকে প্রায় ৫ হাজার সৈন্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। স্থানীয় সময় শুক্রবার পেন্টাগনের এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছেন, আগামী ছয় থেকে ১২ মাসের মধ্যে এই প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক দূরত্বের প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ নিল। সম্প্রতি ইরান ইস্যু এবং ন্যাটো জোটের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ নিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের সঙ্গে ট্রাম্পের তিক্ত বাক্যবিনিময় হয়। মূলত মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের এই টানাপড়েনই সেনা কমানোর সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরান যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনার বিষয়ে চ্যান্সেলর মের্ৎসের কিছু মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রাম্প এর আগে সেনা সরিয়ে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। মার্কিন প্রশাসন মনে করছে, এই পুনর্গঠন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বর্তমান প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে ন্যাটো মিত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
ইউরোপে নিজেদের সামরিক অবস্থান পর্যালোচনার অংশ হিসেবে জার্মানি থেকে প্রায় ৫ হাজার সৈন্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। স্থানীয় সময় শুক্রবার পেন্টাগনের এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছেন, আগামী ছয় থেকে ১২ মাসের মধ্যে এই প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক দূরত্বের প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ নিল। সম্প্রতি ইরান ইস্যু এবং ন্যাটো জোটের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ নিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের সঙ্গে ট্রাম্পের তিক্ত বাক্যবিনিময় হয়। মূলত মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের এই টানাপড়েনই সেনা কমানোর সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরান যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনার বিষয়ে চ্যান্সেলর মের্ৎসের কিছু মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রাম্প এর আগে সেনা সরিয়ে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। মার্কিন প্রশাসন মনে করছে, এই পুনর্গঠন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বর্তমান প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে ন্যাটো মিত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন