চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) একটি নিলামের শিডিউল কিনতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা বাধার মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার নগরীর টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি, একটি সিন্ডিকেট ৫০-৬০ লাখ টাকার স্ক্র্যাপ কম দামে হাতিয়ে নিতে অন্যদের শিডিউল সংগ্রহে বাধা দিচ্ছে। চসিকের প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ইলেকট্রিক ও লোহার অকেজো জিনিসপত্র বিক্রির জন্য গত ২২ এপ্রিল এই ‘পুনঃনিলাম দরপত্র’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ৫ মে শিডিউল বিক্রির শেষ তারিখ এবং ৬ মে দরপত্র গ্রহণ ও খোলার দিন ধার্য করা হয়েছে। ওটিএম পদ্ধতিতে এই নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে বর্তমানে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদার জানান, তিনি শিডিউল কিনতে গিয়ে বাধার মুখে ফিরে এসেছেন। তার অভিযোগ, প্রতিযোগী না থাকলে একটি নির্দিষ্ট পক্ষ লাভবান হবে, যার ফলে চসিক বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। তিনি এই সিন্ডিকেট প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র আহ্বানকারী কর্মকর্তা তাসমিয়াহ তাহসীন জানান, শিডিউল সংগ্রহে বাধার খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তা বিক্রির নির্দেশনা দিয়েছেন। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, শিডিউল বিক্রির দায়িত্বে থাকা প্রকৌশল বিভাগের উচ্চমান সহকারী মোহাম্মদ আলী জানান, যারা স্বাক্ষর নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পৌঁছাতে পেরেছেন তারা শিডিউল পেয়েছেন। তবে অফিসের বাইরে বা পথে কাউকে বাধা দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারেননি।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) একটি নিলামের শিডিউল কিনতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা বাধার মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার নগরীর টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি, একটি সিন্ডিকেট ৫০-৬০ লাখ টাকার স্ক্র্যাপ কম দামে হাতিয়ে নিতে অন্যদের শিডিউল সংগ্রহে বাধা দিচ্ছে। চসিকের প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ইলেকট্রিক ও লোহার অকেজো জিনিসপত্র বিক্রির জন্য গত ২২ এপ্রিল এই ‘পুনঃনিলাম দরপত্র’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ৫ মে শিডিউল বিক্রির শেষ তারিখ এবং ৬ মে দরপত্র গ্রহণ ও খোলার দিন ধার্য করা হয়েছে। ওটিএম পদ্ধতিতে এই নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে বর্তমানে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদার জানান, তিনি শিডিউল কিনতে গিয়ে বাধার মুখে ফিরে এসেছেন। তার অভিযোগ, প্রতিযোগী না থাকলে একটি নির্দিষ্ট পক্ষ লাভবান হবে, যার ফলে চসিক বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। তিনি এই সিন্ডিকেট প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র আহ্বানকারী কর্মকর্তা তাসমিয়াহ তাহসীন জানান, শিডিউল সংগ্রহে বাধার খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তা বিক্রির নির্দেশনা দিয়েছেন। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, শিডিউল বিক্রির দায়িত্বে থাকা প্রকৌশল বিভাগের উচ্চমান সহকারী মোহাম্মদ আলী জানান, যারা স্বাক্ষর নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পৌঁছাতে পেরেছেন তারা শিডিউল পেয়েছেন। তবে অফিসের বাইরে বা পথে কাউকে বাধা দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারেননি।

আপনার মতামত লিখুন