স্বাস্থ্যসেবায় মানোন্নয়ন ও দক্ষ ব্যবস্থাপনায় জাতীয় পর্যায়ে অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে জয়পুরহাট। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘হেলথ সিস্টেম স্ট্রেনদেনিং’ (এইচএসএস) সূচকে জেলা ক্যাটাগরিতে সারা দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ও জেলা সিভিল সার্জন অফিস।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ এই গৌরবময় অর্জন এসেছে। এর পাশাপাশি করোনা টিকাদান কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নেও দেশের শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে জয়পুরহাট জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগের তুলনায় বর্তমানে হাসপাতালের সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নিয়মিত তদারকি, চিকিৎসকদের আন্তরিকতা এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বিত উদ্যোগের ফলেই এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।
জাতীয় পর্যায়ের এই মর্যদাপূর্ণ স্বীকৃতি ভবিষ্যতে জেলার স্বাস্থ্যসেবার মানকে আরও উন্নত করতে এবং সেবার ধারা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের আরও অনুপ্রাণিত ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
স্বাস্থ্যসেবায় মানোন্নয়ন ও দক্ষ ব্যবস্থাপনায় জাতীয় পর্যায়ে অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে জয়পুরহাট। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘হেলথ সিস্টেম স্ট্রেনদেনিং’ (এইচএসএস) সূচকে জেলা ক্যাটাগরিতে সারা দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ও জেলা সিভিল সার্জন অফিস।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ এই গৌরবময় অর্জন এসেছে। এর পাশাপাশি করোনা টিকাদান কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নেও দেশের শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে জয়পুরহাট জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগের তুলনায় বর্তমানে হাসপাতালের সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নিয়মিত তদারকি, চিকিৎসকদের আন্তরিকতা এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বিত উদ্যোগের ফলেই এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।
জাতীয় পর্যায়ের এই মর্যদাপূর্ণ স্বীকৃতি ভবিষ্যতে জেলার স্বাস্থ্যসেবার মানকে আরও উন্নত করতে এবং সেবার ধারা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের আরও অনুপ্রাণিত ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

আপনার মতামত লিখুন