রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সালাহউদ্দিন আম্মারের নয়; বরং এটি অন্য একটি ঘটনার পুরনো ভিডিও।
প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকায় পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের সংঘর্ষে আহত মুহাম্মদ ফাহাদ নামের অন্য এক ব্যক্তির। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল মোড়ে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেই ঘটনার একটি স্পষ্ট ভিডিও বিশ্লেষণ করে এবং ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ভিডিওর ব্যক্তিটি সালাহউদ্দিন আম্মার নন।
অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আম্মার গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন—এমন কোনো তথ্যের সত্যতা বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে পাওয়া যায়নি। বরং এই বিভ্রান্তিকর ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর, গত ১৩ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েমের বিয়ের অনুষ্ঠানেও সালাহউদ্দিন আম্মারকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।
সুতরাং, রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের নামে গণধোলাইয়ের যে ভিডিও ও দাবি প্রচার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ সাজানো ও বিভ্রান্তিকর।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সালাহউদ্দিন আম্মারের নয়; বরং এটি অন্য একটি ঘটনার পুরনো ভিডিও।
প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকায় পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের সংঘর্ষে আহত মুহাম্মদ ফাহাদ নামের অন্য এক ব্যক্তির। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল মোড়ে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেই ঘটনার একটি স্পষ্ট ভিডিও বিশ্লেষণ করে এবং ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ভিডিওর ব্যক্তিটি সালাহউদ্দিন আম্মার নন।
অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আম্মার গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন—এমন কোনো তথ্যের সত্যতা বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে পাওয়া যায়নি। বরং এই বিভ্রান্তিকর ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর, গত ১৩ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েমের বিয়ের অনুষ্ঠানেও সালাহউদ্দিন আম্মারকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।
সুতরাং, রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের নামে গণধোলাইয়ের যে ভিডিও ও দাবি প্রচার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ সাজানো ও বিভ্রান্তিকর।

আপনার মতামত লিখুন