ফুটবল বিশ্বকাপের মতো দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া ইভেন্টে এবারের প্রথম ৮টি ম্যাচই নির্ধারিত সময়ে শুরু করা সম্ভব হয়নি। মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্বোধনী ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৬ মিনিট পর শুরু হয় এবং কাতার–সুইজারল্যান্ডের ম্যাচ শুরু হয় ৫ মিনিট পর। এই ৮ ম্যাচের মধ্যে সবচেয়ে কম ৪০ সেকেন্ড দেরি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া–তুরস্ক ম্যাচে, যেখানে সাধারণত সম্প্রচারক চ্যানেলগুলো নির্দিষ্ট সূচি দেখেই বিজ্ঞাপনের সময় নির্ধারণ করে থাকে।
ম্যাচ দেরিতে শুরু হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ খেলোয়াড়দের সঠিক সময়ে প্রস্তুত না হওয়া। যেমন হাইতি ও স্কটল্যান্ড ম্যাচ শুরুর ঠিক ৮ মিনিট ৪০ সেকেন্ড আগে দুই দলের মাঠে নামার কথা থাকলেও কোনো দলের খেলোয়াড়েরাই তখন পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলেন না এবং ফিফা কর্মকর্তার তাড়ার পর তারা টানেল থেকে বের হতে হতেই নির্ধারিত সময় থেকে ৯০ সেকেন্ড পেরিয়ে যায়।
উদ্বোধনী ম্যাচটি সবচেয়ে বেশি দেরি হওয়ার পেছনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কোনো প্রভাব ছিল না, কারণ সেটি ম্যাচ শুরুর বেশ আগেই শেষ হয়ে যায়। মূলত ম্যাচ বিলম্বের অন্যতম কারণ ফিফার নতুন এক সিদ্ধান্ত, যার ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে এত দিন জাতীয় সংগীতে শুধু শুরুর একাদশের খেলোয়াড়েরা মাঠে থাকার নিয়ম থাকলেও এবার স্কোয়াডের সবাইকে মাঠের মাঝ বৃত্তে এসে দাঁড়াতে হচ্ছে এবং মাঠের দুই পাশে দুই দেশের বিশাল দুটি পতাকা প্রদর্শন করা হচ্ছে।
ফিফা মনে করে এই নিয়ম সবার মাঝে ‘ঐক্য, গর্ব ও আবেগ’ ছড়িয়ে দেয়, তবে মাঠের ভেতর এর আয়োজন করা বেশ জটিল। টুর্নামেন্ট যত এগোবে দল ও আয়োজকেরা এ নিয়মের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে, তবে এই আনুষ্ঠানিকতা সারতে কতটা সময় লাগতে পারে সে হিসাবটা ফিফা ঠিকঠাক করেছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
ফুটবল বিশ্বকাপের মতো দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া ইভেন্টে এবারের প্রথম ৮টি ম্যাচই নির্ধারিত সময়ে শুরু করা সম্ভব হয়নি। মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্বোধনী ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৬ মিনিট পর শুরু হয় এবং কাতার–সুইজারল্যান্ডের ম্যাচ শুরু হয় ৫ মিনিট পর। এই ৮ ম্যাচের মধ্যে সবচেয়ে কম ৪০ সেকেন্ড দেরি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া–তুরস্ক ম্যাচে, যেখানে সাধারণত সম্প্রচারক চ্যানেলগুলো নির্দিষ্ট সূচি দেখেই বিজ্ঞাপনের সময় নির্ধারণ করে থাকে।
ম্যাচ দেরিতে শুরু হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ খেলোয়াড়দের সঠিক সময়ে প্রস্তুত না হওয়া। যেমন হাইতি ও স্কটল্যান্ড ম্যাচ শুরুর ঠিক ৮ মিনিট ৪০ সেকেন্ড আগে দুই দলের মাঠে নামার কথা থাকলেও কোনো দলের খেলোয়াড়েরাই তখন পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলেন না এবং ফিফা কর্মকর্তার তাড়ার পর তারা টানেল থেকে বের হতে হতেই নির্ধারিত সময় থেকে ৯০ সেকেন্ড পেরিয়ে যায়।
উদ্বোধনী ম্যাচটি সবচেয়ে বেশি দেরি হওয়ার পেছনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কোনো প্রভাব ছিল না, কারণ সেটি ম্যাচ শুরুর বেশ আগেই শেষ হয়ে যায়। মূলত ম্যাচ বিলম্বের অন্যতম কারণ ফিফার নতুন এক সিদ্ধান্ত, যার ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে এত দিন জাতীয় সংগীতে শুধু শুরুর একাদশের খেলোয়াড়েরা মাঠে থাকার নিয়ম থাকলেও এবার স্কোয়াডের সবাইকে মাঠের মাঝ বৃত্তে এসে দাঁড়াতে হচ্ছে এবং মাঠের দুই পাশে দুই দেশের বিশাল দুটি পতাকা প্রদর্শন করা হচ্ছে।
ফিফা মনে করে এই নিয়ম সবার মাঝে ‘ঐক্য, গর্ব ও আবেগ’ ছড়িয়ে দেয়, তবে মাঠের ভেতর এর আয়োজন করা বেশ জটিল। টুর্নামেন্ট যত এগোবে দল ও আয়োজকেরা এ নিয়মের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে, তবে এই আনুষ্ঠানিকতা সারতে কতটা সময় লাগতে পারে সে হিসাবটা ফিফা ঠিকঠাক করেছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন