নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে দুই বছরের শিশুকে হত্যার হুমকির পর পুলিশের তৎপরতায় অপহৃত শিশু তাকরিমকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার রাতে শহরের চাষাঢ়া এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধারের পাশাপাশি অপহরণকারী সুজন মিয়া এবং তার স্ত্রী মাজেদাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকার একটি টিনশেড বাড়িতে ভাড়ায় থাকেন শিশুর বাবা তানজিম ও মা মিম আক্তার। একই বাড়িতে ভাড়া থাকার সুবাদে সুজন মিয়া ও তার স্ত্রী মাজেদা প্রায়ই তানজিমের ঘরে এসে তার দুই বছরের শিশু তাকরিমকে আদর করতেন। একপর্যায়ে গত ১২ জুন সকালে তাকরিমকে কোলে নিয়ে সুজন ও মাজেদা পালিয়ে যান।
পরবর্তীতে শনিবার রাত ১টা ৫৩ মিনিটে ‘ইন্দিয়া মানব গোষ্ঠী’ নামের একটি ইমু আইডি থেকে শিশুর বাবাকে ফোন করে ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয় এবং টাকা না দিলে শিশুকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি থানায় জানানোর পর পুলিশ দ্রুত প্রযুক্তির মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করে এবং শিশুকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে দুই বছরের শিশুকে হত্যার হুমকির পর পুলিশের তৎপরতায় অপহৃত শিশু তাকরিমকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার রাতে শহরের চাষাঢ়া এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধারের পাশাপাশি অপহরণকারী সুজন মিয়া এবং তার স্ত্রী মাজেদাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকার একটি টিনশেড বাড়িতে ভাড়ায় থাকেন শিশুর বাবা তানজিম ও মা মিম আক্তার। একই বাড়িতে ভাড়া থাকার সুবাদে সুজন মিয়া ও তার স্ত্রী মাজেদা প্রায়ই তানজিমের ঘরে এসে তার দুই বছরের শিশু তাকরিমকে আদর করতেন। একপর্যায়ে গত ১২ জুন সকালে তাকরিমকে কোলে নিয়ে সুজন ও মাজেদা পালিয়ে যান।
পরবর্তীতে শনিবার রাত ১টা ৫৩ মিনিটে ‘ইন্দিয়া মানব গোষ্ঠী’ নামের একটি ইমু আইডি থেকে শিশুর বাবাকে ফোন করে ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয় এবং টাকা না দিলে শিশুকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি থানায় জানানোর পর পুলিশ দ্রুত প্রযুক্তির মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করে এবং শিশুকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন