যশোরের কেশবপুরে চুরি হওয়া একটি মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার ভোরে কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে এবং এ ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে হাসানপুর গ্রামের বাসিন্দা ও থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আশরাফুজ্জামান রুমির বাড়ি থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় চিংড়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে পাশের চিংড়া গ্রামের আবদুর রশিদের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে। খবর পেয়ে আশরাফুজ্জামানসহ একদল কিশোর ও যুবক সেখানে উপস্থিত হয়ে মোটরসাইকেলটি আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই তাদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানান।
এএসআই নজরুল ইসলাম আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মোটরসাইকেল হস্তান্তরের কথা জানালে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেয়। পরে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকসানা খাতুনের নেতৃত্বে পুলিশ পুনরায় ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে আবদুর রশিদ নামে একজনকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম হোসেন জানান, মোটরসাইকেল চুরির বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ওসির সঙ্গে কথা বলেন এবং ফোর্স পাঠানোর কথা বলার পরপরই সেখানে থাকা জনতা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। পরে চিংড়া সরদারপাড়ার আবদুর রশিদ মোটরসাইকেলটি তার হেফাজতে থাকার কথা জানালে লোকজন চড়াও হয়ে হামলার ঘটনা ঘটায়।
কেশবপুর থানার ওসি রোকসানা খাতুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, একটি পক্ষ চোরপক্ষকে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে বিচার করতে চাইছিল। পুলিশ আইনি প্রক্রিয়ার স্বার্থে বাধা দিলে এক অফিসারকে ধাক্কাধাক্কি ও থাপ্পড় মারা হয়। এই হামলার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
যশোরের কেশবপুরে চুরি হওয়া একটি মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার ভোরে কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে এবং এ ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে হাসানপুর গ্রামের বাসিন্দা ও থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আশরাফুজ্জামান রুমির বাড়ি থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় চিংড়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে পাশের চিংড়া গ্রামের আবদুর রশিদের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে। খবর পেয়ে আশরাফুজ্জামানসহ একদল কিশোর ও যুবক সেখানে উপস্থিত হয়ে মোটরসাইকেলটি আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই তাদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানান।
এএসআই নজরুল ইসলাম আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মোটরসাইকেল হস্তান্তরের কথা জানালে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেয়। পরে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকসানা খাতুনের নেতৃত্বে পুলিশ পুনরায় ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে আবদুর রশিদ নামে একজনকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম হোসেন জানান, মোটরসাইকেল চুরির বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ওসির সঙ্গে কথা বলেন এবং ফোর্স পাঠানোর কথা বলার পরপরই সেখানে থাকা জনতা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। পরে চিংড়া সরদারপাড়ার আবদুর রশিদ মোটরসাইকেলটি তার হেফাজতে থাকার কথা জানালে লোকজন চড়াও হয়ে হামলার ঘটনা ঘটায়।
কেশবপুর থানার ওসি রোকসানা খাতুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, একটি পক্ষ চোরপক্ষকে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে বিচার করতে চাইছিল। পুলিশ আইনি প্রক্রিয়ার স্বার্থে বাধা দিলে এক অফিসারকে ধাক্কাধাক্কি ও থাপ্পড় মারা হয়। এই হামলার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন