ঢাকা নিউজ

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪৭



যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪৭
ছবি : সংগৃহীত

ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসার পরও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। এতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া হামলায় অন্তত ৪৭ জন নিহত এবং ৯৭ জন আহত হয়েছেন। অথচ যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও ইরানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের সম্মত হওয়া এই যুদ্ধবিরতিটি একই দিনে বিকেল ৪টা থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শুরু হওয়ার পরপরই দক্ষিণ লেবাননে অন্তত ১২টি বিমান হামলা ও ধারাবাহিক গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে বাসিন্দাদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। লেবাননের টাইর শহর থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক হেইডি পেট জানান, প্রতিবারই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলে নতুন করে হামলা শুরু হয়, তাই এটিকে সত্যিকারের যুদ্ধবিরতি বলা কঠিন।

এক গালফ কূটনীতিক জানান, দুই পক্ষ শত্রুতা বন্ধে সম্মত হয়েছে, তবে এটি কঠোরভাবে মেনে চলা না হলে পরিস্থিতি আবারও অবনতি হতে পারে। হিজবুল্লাহর এক কর্মকর্তা জানান, ইসরাইল চুক্তি মানলে যুদ্ধবিরতি বজায় থাকবে। অন্যদিকে এক ইসরাইলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহ হামলা না করলে তাদের জন্য এটি যুদ্ধের সময় নয়।

এরই মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, লেবানন-ইসরাইল আলোচনা আগামী ২৩ থেকে ২৫ জুন ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হবে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, যে কোনো আলোচনার ভিত্তি হতে হবে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি। অন্যদিকে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক যুদ্ধবিরতির খবরকে স্বাগত জানিয়ে উভয় পক্ষকে সহিংসতা বন্ধ ও সংলাপে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬


যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪৭

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬

featured Image

ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসার পরও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। এতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া হামলায় অন্তত ৪৭ জন নিহত এবং ৯৭ জন আহত হয়েছেন। অথচ যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও ইরানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের সম্মত হওয়া এই যুদ্ধবিরতিটি একই দিনে বিকেল ৪টা থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শুরু হওয়ার পরপরই দক্ষিণ লেবাননে অন্তত ১২টি বিমান হামলা ও ধারাবাহিক গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে বাসিন্দাদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। লেবাননের টাইর শহর থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক হেইডি পেট জানান, প্রতিবারই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলে নতুন করে হামলা শুরু হয়, তাই এটিকে সত্যিকারের যুদ্ধবিরতি বলা কঠিন।

এক গালফ কূটনীতিক জানান, দুই পক্ষ শত্রুতা বন্ধে সম্মত হয়েছে, তবে এটি কঠোরভাবে মেনে চলা না হলে পরিস্থিতি আবারও অবনতি হতে পারে। হিজবুল্লাহর এক কর্মকর্তা জানান, ইসরাইল চুক্তি মানলে যুদ্ধবিরতি বজায় থাকবে। অন্যদিকে এক ইসরাইলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহ হামলা না করলে তাদের জন্য এটি যুদ্ধের সময় নয়।

এরই মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, লেবানন-ইসরাইল আলোচনা আগামী ২৩ থেকে ২৫ জুন ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হবে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, যে কোনো আলোচনার ভিত্তি হতে হবে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি। অন্যদিকে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক যুদ্ধবিরতির খবরকে স্বাগত জানিয়ে উভয় পক্ষকে সহিংসতা বন্ধ ও সংলাপে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ