কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে উপজেলার প্রায় ২৫ হেক্টর জমির ধান পুরোপুরি পানির নিচে তলিয়ে গেছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে নবাগিয়া বিলের ফসলি জমি নিমজ্জিত হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
গত দুই দিনের বৃষ্টিতে উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার নিম্নাঞ্চলসহ বিলভরা ও নবাগিয়া বিলের পাকা এবং আধাপাকা ধান এক থেকে দেড় ফুট পানির নিচে তলিয়ে আছে। বুধবার সরেজমিনে নামা লক্ষীয়া ও বিলভরা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক কৃষকের কাটা ধানও পানির নিচে চলে গেছে। ধান কাটার এই উপযুক্ত সময়ে হঠাৎ জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে পাকুন্দিয়ায় ১ হাজার ২৫৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি হিসাবে কেবল নবাগিয়া বিলের ২৫ হেক্টর ধান পুরোপুরি নিমজ্জিত হলেও স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতে পারে। তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর-ই-আলম জানিয়েছেন, নবাগিয়া বিলের বাইরে অন্যান্য এলাকায় আংশিক নিমজ্জিত জমির পানি নামতে শুরু করেছে, ফলে সেসব স্থানে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা নেই। কৃষকরা জানিয়েছেন, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে নিম্নাঞ্চলের অবশিষ্ট ফসল রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে উপজেলার প্রায় ২৫ হেক্টর জমির ধান পুরোপুরি পানির নিচে তলিয়ে গেছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে নবাগিয়া বিলের ফসলি জমি নিমজ্জিত হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
গত দুই দিনের বৃষ্টিতে উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার নিম্নাঞ্চলসহ বিলভরা ও নবাগিয়া বিলের পাকা এবং আধাপাকা ধান এক থেকে দেড় ফুট পানির নিচে তলিয়ে আছে। বুধবার সরেজমিনে নামা লক্ষীয়া ও বিলভরা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক কৃষকের কাটা ধানও পানির নিচে চলে গেছে। ধান কাটার এই উপযুক্ত সময়ে হঠাৎ জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে পাকুন্দিয়ায় ১ হাজার ২৫৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি হিসাবে কেবল নবাগিয়া বিলের ২৫ হেক্টর ধান পুরোপুরি নিমজ্জিত হলেও স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতে পারে। তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর-ই-আলম জানিয়েছেন, নবাগিয়া বিলের বাইরে অন্যান্য এলাকায় আংশিক নিমজ্জিত জমির পানি নামতে শুরু করেছে, ফলে সেসব স্থানে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা নেই। কৃষকরা জানিয়েছেন, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে নিম্নাঞ্চলের অবশিষ্ট ফসল রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন