বরগুনার তালতলীতে মো. ফারুক হোসেন (৫২) নামের এক পুলিশ কনস্টেবল চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তালতলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত ফারুক হোসেন ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার আংগারিয়া গ্রামের রতন আলী গাজীর ছেলে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কনস্টেবল ফারুক হোসেন শনিবার রাতের ডিউটি শেষ করে রোববার সকালে থানা ব্যারাকে যান। সেখানে তিনি কোনো এক সময়ে গ্যাসের ট্যাবলেট সেবন করেন। পরে সকাল সোয়া ৯টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর পুলিশ ব্যারাকে তার কক্ষ থেকে কয়েকটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। এর একটিতে তিনি লিখেছেন, তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় এবং তিনি নিজের ইচ্ছায় এই পথ বেছে নিয়েছেন। তিনি অনুরোধ করেন, বাড়িতে যেন জানানো হয় তিনি স্ট্রোকে মারা গেছেন, বিশেষ করে তার স্ত্রী যেন খবরটি আগে না জানেন, তাহলে তিনিও মারা যেতে পারেন। এছাড়া নারীরা যেন লাশ নিতে না আসেন এবং তার মরদেহ যেন পুরান বাড়িতে দাফন করা হয়, চিরকুটে এমন নির্দেশনাও ছিল। চিরকুটের শেষে তার ভাই ও জামাতার মোবাইল নম্বর দেওয়া ছিল।
কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. সাইয়েদী হাসান সোহাগ জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে ফারুক হোসেন গ্যাসের ট্যাবলেট সেবন করেছিলেন। হাসপাতালে আনার কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু হয়।
সহকারী পুলিশ সুপার (আমতলী সার্কেল) মো. তারিকুল ইসলাম মাসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাতের ডিউটি শেষে সকালে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। কী কারণে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া চিরকুটে মূলত পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অনুরোধ লেখা ছিল। পরিবারের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
বরগুনার তালতলীতে মো. ফারুক হোসেন (৫২) নামের এক পুলিশ কনস্টেবল চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তালতলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত ফারুক হোসেন ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার আংগারিয়া গ্রামের রতন আলী গাজীর ছেলে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কনস্টেবল ফারুক হোসেন শনিবার রাতের ডিউটি শেষ করে রোববার সকালে থানা ব্যারাকে যান। সেখানে তিনি কোনো এক সময়ে গ্যাসের ট্যাবলেট সেবন করেন। পরে সকাল সোয়া ৯টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর পুলিশ ব্যারাকে তার কক্ষ থেকে কয়েকটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। এর একটিতে তিনি লিখেছেন, তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় এবং তিনি নিজের ইচ্ছায় এই পথ বেছে নিয়েছেন। তিনি অনুরোধ করেন, বাড়িতে যেন জানানো হয় তিনি স্ট্রোকে মারা গেছেন, বিশেষ করে তার স্ত্রী যেন খবরটি আগে না জানেন, তাহলে তিনিও মারা যেতে পারেন। এছাড়া নারীরা যেন লাশ নিতে না আসেন এবং তার মরদেহ যেন পুরান বাড়িতে দাফন করা হয়, চিরকুটে এমন নির্দেশনাও ছিল। চিরকুটের শেষে তার ভাই ও জামাতার মোবাইল নম্বর দেওয়া ছিল।
কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. সাইয়েদী হাসান সোহাগ জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে ফারুক হোসেন গ্যাসের ট্যাবলেট সেবন করেছিলেন। হাসপাতালে আনার কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু হয়।
সহকারী পুলিশ সুপার (আমতলী সার্কেল) মো. তারিকুল ইসলাম মাসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাতের ডিউটি শেষে সকালে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। কী কারণে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া চিরকুটে মূলত পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অনুরোধ লেখা ছিল। পরিবারের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন