ঢাকা নিউজ

নিজেদের ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াতের ডা. তাহের



নিজেদের ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াতের ডা. তাহের
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে নিজেকে 'শিশু মুক্তিযোদ্ধা' হিসেবে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে রাজাকার বা আলবদর ইস্যু একটি মৃত বিষয় এবং জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান নেতৃত্বের কেউ এসবে যুক্ত ছিলেন না।

মুক্তিযুদ্ধে নিজের ভূমিকার বর্ণনা দিয়ে ডা. তাহের বলেন, সীমান্তের কাছে তাদের বড় বাড়িতে ভারতগামী শরণার্থীরা প্রথমে আশ্রয় নিতেন। সে সময় তিনি ও তার পরিবার শরণার্থীদের নাস্তা করাতেন এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে কি না তা পাহারা দিতেন। যখন সেনাবাহিনীর টহল বন্ধ থাকত, তখন তিনি শরণার্থীদের সীমান্ত পার হতে গাইড বা পথপ্রদর্শক হিসেবে সাহায্য করতেন।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াতের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ওই ধরনের অভিযোগ তোলার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। মূলত শরণার্থীদের সাহায্য করা এবং টহল বাহিনীর নজরদারি করার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকেই তিনি নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাজাকার-আলবদর ইস্যু নিয়ে তর্কের আর কোনো অবকাশ নেই বলেও তিনি মনে করেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


নিজেদের ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াতের ডা. তাহের

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে নিজেকে 'শিশু মুক্তিযোদ্ধা' হিসেবে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে রাজাকার বা আলবদর ইস্যু একটি মৃত বিষয় এবং জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান নেতৃত্বের কেউ এসবে যুক্ত ছিলেন না।

মুক্তিযুদ্ধে নিজের ভূমিকার বর্ণনা দিয়ে ডা. তাহের বলেন, সীমান্তের কাছে তাদের বড় বাড়িতে ভারতগামী শরণার্থীরা প্রথমে আশ্রয় নিতেন। সে সময় তিনি ও তার পরিবার শরণার্থীদের নাস্তা করাতেন এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে কি না তা পাহারা দিতেন। যখন সেনাবাহিনীর টহল বন্ধ থাকত, তখন তিনি শরণার্থীদের সীমান্ত পার হতে গাইড বা পথপ্রদর্শক হিসেবে সাহায্য করতেন।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াতের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ওই ধরনের অভিযোগ তোলার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। মূলত শরণার্থীদের সাহায্য করা এবং টহল বাহিনীর নজরদারি করার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকেই তিনি নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাজাকার-আলবদর ইস্যু নিয়ে তর্কের আর কোনো অবকাশ নেই বলেও তিনি মনে করেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ