কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া ও ভন্ধুরচর সীমান্ত দিয়ে মোট ৯ জনকে বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১ জন নারী ও ২ জন শিশু রয়েছে। এই অনুপ্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) ভোর ৬টার দিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১০৬০ নম্বর মেইন পিলারের নিকটবর্তী গয়টাপাড়া বংশিরচর বটতলা সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। একই সময়ে ভন্ধুরচর সীমান্ত দিয়ে আরও ৩ জন পুরুষকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হয়। বিএসএফের দাবি, সীমান্তে জড়ো করা ব্যক্তিরা ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের কাংশী গ্রামের বাসিন্দা।
পুশইনের খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসীরাও সীমান্তে নজরদারি শুরু করেছে। পুশইনের ঘটনা ঠেকাতে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে ইতিমধ্যে টহল ও পর্যবেক্ষণ বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা মিয়া জানান, পুশইনের জন্য আনা ওই ছয়জন বর্তমানে ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রায় ৫০ গজ ভেতরে অবস্থান করছেন এবং যেকোনো ধরনের পুশইন ঠেকাতে তারা বিজিবির সঙ্গে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অনুপ্রবেশের চেষ্টার এ ঘটনার পর থেকে সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা অপতৎপরতা ঠেকাতে বিজিবি সদা তৎপর রয়েছে।
গয়টাপাড়া বিওপি ক্যাম্পের হাবিলদার মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে বিএসএফ পক্ষের পুশইন তারা ঠেকিয়েছেন। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে এবং স্থানীয় জনগণ এতে সহায়তা করছে। স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে রৌমারী সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে একাধিকবার পুশইনের চেষ্টা করা হলেও বিজিবি ও সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা সফল হয়নি।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া ও ভন্ধুরচর সীমান্ত দিয়ে মোট ৯ জনকে বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১ জন নারী ও ২ জন শিশু রয়েছে। এই অনুপ্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) ভোর ৬টার দিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১০৬০ নম্বর মেইন পিলারের নিকটবর্তী গয়টাপাড়া বংশিরচর বটতলা সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। একই সময়ে ভন্ধুরচর সীমান্ত দিয়ে আরও ৩ জন পুরুষকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হয়। বিএসএফের দাবি, সীমান্তে জড়ো করা ব্যক্তিরা ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের কাংশী গ্রামের বাসিন্দা।
পুশইনের খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসীরাও সীমান্তে নজরদারি শুরু করেছে। পুশইনের ঘটনা ঠেকাতে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে ইতিমধ্যে টহল ও পর্যবেক্ষণ বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা মিয়া জানান, পুশইনের জন্য আনা ওই ছয়জন বর্তমানে ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রায় ৫০ গজ ভেতরে অবস্থান করছেন এবং যেকোনো ধরনের পুশইন ঠেকাতে তারা বিজিবির সঙ্গে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অনুপ্রবেশের চেষ্টার এ ঘটনার পর থেকে সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা অপতৎপরতা ঠেকাতে বিজিবি সদা তৎপর রয়েছে।
গয়টাপাড়া বিওপি ক্যাম্পের হাবিলদার মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে বিএসএফ পক্ষের পুশইন তারা ঠেকিয়েছেন। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে এবং স্থানীয় জনগণ এতে সহায়তা করছে। স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে রৌমারী সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে একাধিকবার পুশইনের চেষ্টা করা হলেও বিজিবি ও সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা সফল হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন